ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেল ইরান

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে ইরান। দেশটিতে আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।  সোমবার (১২ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইইউ জানিয়েছে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় প্রয়োজনে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে তারা প্রস্তুত। সংস্থাটির মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নতুন ও আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আছি। ইইউ ইতোমধ্যেই মানবাধিকার লঙ্ঘন, পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইরানের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একদিকে যেমন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তেমনি আলোচনার পথও খোলা রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকি এবং দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তেহরানে অবস্থানরত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরাঘচি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, কিন্তু যুদ্ধের জন্য পুরো

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেল ইরান

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে ইরান। দেশটিতে আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ইইউ জানিয়েছে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় প্রয়োজনে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে তারা প্রস্তুত। সংস্থাটির মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নতুন ও আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আছি।

ইইউ ইতোমধ্যেই মানবাধিকার লঙ্ঘন, পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইরানের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একদিকে যেমন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তেমনি আলোচনার পথও খোলা রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকি এবং দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তেহরানে অবস্থানরত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরাঘচি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, কিন্তু যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করে বলেন, আমরা আলোচনার জন্যও প্রস্তুত, তবে সেই আলোচনা হতে হবে ন্যায্য, সমতার ভিত্তিতে এবং পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপ চাচ্ছে। তিনি একাধিকবার সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এরই মধ্যে এ তথ্য সামনে এসেছে।

আরাঘচি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ‘সহিংস ও রক্তক্ষয়ী’ রূপ নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই অস্থিরতাকে বিদেশি হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সহিংসতার মাত্রা গত সপ্তাহান্তে বেড়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইরানি মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে অন্তত ৫৩৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এই সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহিংসতার জন্য ট্রাম্পের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিকেই দায়ী করেন। তার দাবি, এসব বক্তব্যের সুযোগ নিয়ে ‘সন্ত্রাসীরা’ বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনী— উভয়ের ওপর হামলা চালাচ্ছে, যাতে বিদেশি হস্তক্ষেপের পথ সুগম হয়।

আরাঘচি আরও বলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে এমন ভিডিও ফুটেজ রয়েছে, যেখানে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অস্ত্র বিতরণের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। যদিও তিনি এর কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেননি। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তির ভিডিও শিগগিরই প্রকাশ করা হবে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow