ইউরোপের যে সৈকত এখনও দেয়াল দিয়ে নারী ও পুরুষের জন্য বিভক্ত
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে সামাজিক শালীনতা বজায় রাখতে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা সৈকত থাকাটা কোনও অস্বাভাবিক বিষয় ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেসব সামাজিক নিয়ম ও দেয়াল বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু ইতালির ত্রিয়েস্তের বানিও মারিনো লা লান্তের্না সৈকত, যা স্থানীয়দের কাছে এল পেদোচিন নামে পরিচিত। ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সৈকতটিই বর্তমানে পুরো ইউরোপের শেষ নারী-পুরুষ বিভক্ত সৈকত, যেখানে একটি... বিস্তারিত
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে সামাজিক শালীনতা বজায় রাখতে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা সৈকত থাকাটা কোনও অস্বাভাবিক বিষয় ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেসব সামাজিক নিয়ম ও দেয়াল বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু ইতালির ত্রিয়েস্তের বানিও মারিনো লা লান্তের্না সৈকত, যা স্থানীয়দের কাছে এল পেদোচিন নামে পরিচিত। ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সৈকতটিই বর্তমানে পুরো ইউরোপের শেষ নারী-পুরুষ বিভক্ত সৈকত, যেখানে একটি... বিস্তারিত
What's Your Reaction?