ইকরার আত্মহত্যা নিয়ে যা বললেন ভাবনা
ছোটপর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার খবরে যখন সারা দেশ ও শোবিজ অঙ্গন শোকাহত, ঠিক তখনই নারীদের সামাজিক অবস্থান, ত্যাগ ও মানসিক টানাপোড়েন নিয়ে সরব হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। শিশুসন্তানকে রেখে ইকরার এই চিরবিদায় মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। দেশজুড়ে চলমান এই আলোচনার মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আত্মহত্যা’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
ভাবনা তার স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন কীভাবে একজন নারী সমাজের চাপে নিজের অস্তিত্ব ভুলে যান। তিনি লেখেন, “মানুষের জীবনে এমন মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় আমি আর বেঁচে থাকতে চাই না। আমরা মেয়েরা অনেক বেশি ইমোশনাল। কারণ আমাদের সমাজব্যবস্থা, পরিবার আমাদের এভাবেই তৈরি করে। আমরা নিজেকে ভালোবাসতেই শিখি না, সবসময় অন্যের জন্যে বাঁচি।”
একজন নারী কীভাবে সারা জীবন অন্যের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে ভাবনা লেখেন, “ছোটবেলায় মা-বাবার কথা শুনে বড় হই। তারপর প্রেমিকের কথা শুনে, তারপর স্বামী, তারপর ছেলে-মেয়েদের কথা শুনে। এভাবেই একটা মেয়ে নিজের জন্যে কখনো বাঁচতেই পারে না।”
ভালোবাসার মানুষের তাচ্ছিল
ছোটপর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার খবরে যখন সারা দেশ ও শোবিজ অঙ্গন শোকাহত, ঠিক তখনই নারীদের সামাজিক অবস্থান, ত্যাগ ও মানসিক টানাপোড়েন নিয়ে সরব হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। শিশুসন্তানকে রেখে ইকরার এই চিরবিদায় মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। দেশজুড়ে চলমান এই আলোচনার মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আত্মহত্যা’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
ভাবনা তার স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন কীভাবে একজন নারী সমাজের চাপে নিজের অস্তিত্ব ভুলে যান। তিনি লেখেন, “মানুষের জীবনে এমন মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় আমি আর বেঁচে থাকতে চাই না। আমরা মেয়েরা অনেক বেশি ইমোশনাল। কারণ আমাদের সমাজব্যবস্থা, পরিবার আমাদের এভাবেই তৈরি করে। আমরা নিজেকে ভালোবাসতেই শিখি না, সবসময় অন্যের জন্যে বাঁচি।”
একজন নারী কীভাবে সারা জীবন অন্যের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে ভাবনা লেখেন, “ছোটবেলায় মা-বাবার কথা শুনে বড় হই। তারপর প্রেমিকের কথা শুনে, তারপর স্বামী, তারপর ছেলে-মেয়েদের কথা শুনে। এভাবেই একটা মেয়ে নিজের জন্যে কখনো বাঁচতেই পারে না।”
ভালোবাসার মানুষের তাচ্ছিল্য পাওয়ার পরও নারীরা কেন একটি অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক টেনে নিয়ে যান, সেটিরও একটি রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরেছেন ভাবনা। তিনি উল্লেখ করেন, “ভালোবাসার মানুষের সামান্য তাচ্ছিল্য মেনে নেওয়া কঠিন। তবু মেয়েরা দিনের পর দিন একটা অসুস্থ, ভালোবাসাহীন সম্পর্ককে টিকিয়ে নিয়ে যায়, শুধু আবার আরেকজনের সাথে প্রেম করবে? লোকে কী বলবে? কারণ লোকে তো ‘মেয়েটাকেই’ খারাপ বলবে।” তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে যোগ করেন, “যে ভালোবাসে সে কখনোই কষ্ট দেয় না।”
বর্তমান সময়ের সম্পর্কের অবক্ষয় নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “ভালোবাসা শব্দটাই সস্তা হয়ে গেছে। সস্তা হয়ে গেছে আমাদের সব অনুভূতি। সম্পর্কে যখন প্রমাণ দিতে হয় কতটা ভালোবাসি, সেটা আর সম্পর্কই না। ভালোবাসার চেয়ে এখন ভালো থাকাটা জরুরি হয়ে গেছে, তার চেয়ে জরুরি বেঁচে থাকা।”
জীবনের এক চরম সত্য উপলব্ধি করে ভাবনা তার স্ট্যাটাসের শেষে জানান, জীবনে একা থাকাই শ্রেয়। তিনি লেখেন, “আমি মরে গেলে কারও কিছুই হবে না। পরিবারের সবাই একদিন ভুলে যাবে। তাই নিজের সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস রেখে বেঁচে থাকার নামই জীবন। সময় বদলায়। আল্লাহ আমাদের জন্যে অবশ্যই ভালো সময় উপহার দেবেন।”