ইকোনমিক জোনে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতি ও মালামাল লুটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ এর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫-২০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, চুরি ও লোহার রড নিয়ে জোনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরবিহীন অংশ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় দায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ডদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে প্রত্যেককে পেছন থেকে বেঁধে ফেলে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে জোন কম্পাউন্ডে রক্ষিত ও কন্টেইনারের ভেতরে রক্ষিত যন্ত্রপাতি ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্টোর ম্যানেজার ওয়েন জিইয়ং বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানার মামলা দায়ের করেন। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এসআই সুব্রত কুমার ঘোষ শুক্রবার হেলাল হোসেন (২৯) নামের স্থানীয় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। তার দে
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতি ও মালামাল লুটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ এর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫-২০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, চুরি ও লোহার রড নিয়ে জোনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরবিহীন অংশ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় দায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ডদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে প্রত্যেককে পেছন থেকে বেঁধে ফেলে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে জোন কম্পাউন্ডে রক্ষিত ও কন্টেইনারের ভেতরে রক্ষিত যন্ত্রপাতি ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্টোর ম্যানেজার ওয়েন জিইয়ং বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানার মামলা দায়ের করেন।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এসআই সুব্রত কুমার ঘোষ শুক্রবার হেলাল হোসেন (২৯) নামের স্থানীয় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সালাহউদ্দীন (৩৩), মো. রবিউল হোসেন প্রকাশ সোহেল (৩০), মো. এসকান্দার প্রকাশ মদন (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তিতে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
What's Your Reaction?