ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় মিলেছে
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্ত সংলগ্ন ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম রতিকান্ত জয়ধর (৪২)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার পলোটানা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ জয়ধরের ছেলে।
পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মহেশপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রতিকান্ত জয়ধর গত ৯ এপ্রিল মাদারীপুর জেলার ভেন্নাবাড়ী গ্রামে মামার বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর ১২ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিহতের ছোট ভাই রঞ্জিত জয়ধর মহেশপুর থানায় এসে মরদেহটি তার বড় ভাইয়ের বলে শনাক্ত করেন।
রঞ্জিত জয়ধর জানান, তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ ভারতে বসবাস করতেন।
নিহতের ছোট ভাই অভিযোগ করেন, তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার ধারণা, সীমান্ত পারাপারের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) অথবা অন্য কোনো দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। পরে মরদেহটি আড়াল করতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্ত সংলগ্ন ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম রতিকান্ত জয়ধর (৪২)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার পলোটানা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ জয়ধরের ছেলে।
পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মহেশপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রতিকান্ত জয়ধর গত ৯ এপ্রিল মাদারীপুর জেলার ভেন্নাবাড়ী গ্রামে মামার বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর ১২ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিহতের ছোট ভাই রঞ্জিত জয়ধর মহেশপুর থানায় এসে মরদেহটি তার বড় ভাইয়ের বলে শনাক্ত করেন।
রঞ্জিত জয়ধর জানান, তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ ভারতে বসবাস করতেন।
নিহতের ছোট ভাই অভিযোগ করেন, তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার ধারণা, সীমান্ত পারাপারের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) অথবা অন্য কোনো দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। পরে মরদেহটি আড়াল করতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা মরদেহটি পচে ফুলে গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে গুলির চিহ্ন ও আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ইছামতি নদীর পাড় থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী সেখানে ভিড় করেন। পরে নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে তারা পুলিশ ও বিজিবিকে খবর দেন। বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ১০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।