ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফার আলোচনা
পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে শেষ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম দফার বৈঠকটি প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছে এবং এর পরিবেশ ছিল বেশ ইতিবাচক। যদিও আলোচনার বিস্তারিত তথ্য এখনও পর্দার আড়ালে রাখা হয়েছে। তবে বিভিন্ন দিক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে সমঝোতার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইসরাইলের সামরিক অভিযান কেবল দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং বৈরুতে আর কোনো হামলা চালানো হবে না। পাশাপাশি, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়েও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এটি আলোচনার অত্যন্ত প্রাথমিক পর্যায় এবং কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়ার আগে আরও সময় প্রয়োজন। উভয় পক্ষই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে অগ্রসর হচ্ছে এবং গ
পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে শেষ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম দফার বৈঠকটি প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছে এবং এর পরিবেশ ছিল বেশ ইতিবাচক। যদিও আলোচনার বিস্তারিত তথ্য এখনও পর্দার আড়ালে রাখা হয়েছে।
তবে বিভিন্ন দিক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে সমঝোতার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইসরাইলের সামরিক অভিযান কেবল দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং বৈরুতে আর কোনো হামলা চালানো হবে না। পাশাপাশি, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়েও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এটি আলোচনার অত্যন্ত প্রাথমিক পর্যায় এবং কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়ার আগে আরও সময় প্রয়োজন। উভয় পক্ষই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে অগ্রসর হচ্ছে এবং গোপনীয়তা বজায় রাখছে।
আলোচনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে দুই দেশের প্রতিনিধি দল আবারও নৈশভোজে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুরো বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদের এই আলোচনার টেবিলে, যেখানে দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে একটি স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
What's Your Reaction?