ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধি জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার এবং পরে ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, কৃষি, শিল্প, রপ্তানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান, তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। আরও পড়ুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে
ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধি জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার এবং পরে ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, কৃষি, শিল্প, রপ্তানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান, তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ভোটাধিকার, সংসদীয় গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তার অবদান স্মরণীয়।
বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন।
জাহিদ হোসেন জানান, নির্বাচনের পর জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ধর্মীয় নেতাদের প্রণোদনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নমুখী বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রী পরে জিয়াউর রহমানের সমাধি-সংলগ্ন এতিম ও দুস্থ শিশুদের প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিদর্শন এবং ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণসামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, প্রকৌশলী ও স্থপতি মাসুদুর রহমান খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?
