ইতিহাসের পাতায় উজবেকিস্তানের কোচ

ফুটবলে ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে ব্যালন ডি’অর সবার ওপরে অবস্থান করে। অসংখ্য খেলোয়াড় এখন পর্যন্ত এই পুরস্কার জিতেছেন। তবে তাদের মধ্যে শুধুমাত্র চারজন খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে কোচের ভূমিকায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের দায়িত্ব নিয়ে সেই বিশেষ তালিকায় পঞ্চম হিসেবে নাম লেখালেন ফ্যাবিও ক্যানাভারো। ৫২ বছর বয়সী ইতালিয়ান কিংবদন্তি কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে নিজের যাত্রা শুরু করেছেন। ২০০৬ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন তিনি। সেবার ইতালি বিশ্বকাপও জিতেছিল। এই তালিকায় সবার ওপরে স্পেনের লুইস সুয়ারেজ। ১৯৬০ এই খেতাব জিতেছিলেন তিনি। এর পরবর্তীতে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত স্পেন জাতীয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে স্পেন শেষ ষোলোতে উঠেছিল তার অধীনে। তবে এই তালিকায় সবচেয়ে বিখ্যাত নাম নিঃসন্দেহে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের পর কোচ হিসেবেও বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েন তিনি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তার অধীনে থাকা জার্মানি ফাইনালে উঠলেও ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়। চার বছর পর ১৯৯০ সালে সেই আর্জেন্টিনাকেই হারিয়ে বিশ্

ইতিহাসের পাতায় উজবেকিস্তানের কোচ

ফুটবলে ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে ব্যালন ডি’অর সবার ওপরে অবস্থান করে। অসংখ্য খেলোয়াড় এখন পর্যন্ত এই পুরস্কার জিতেছেন। তবে তাদের মধ্যে শুধুমাত্র চারজন খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে কোচের ভূমিকায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন।

বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের দায়িত্ব নিয়ে সেই বিশেষ তালিকায় পঞ্চম হিসেবে নাম লেখালেন ফ্যাবিও ক্যানাভারো। ৫২ বছর বয়সী ইতালিয়ান কিংবদন্তি কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে নিজের যাত্রা শুরু করেছেন। ২০০৬ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন তিনি। সেবার ইতালি বিশ্বকাপও জিতেছিল।

এই তালিকায় সবার ওপরে স্পেনের লুইস সুয়ারেজ। ১৯৬০ এই খেতাব জিতেছিলেন তিনি। এর পরবর্তীতে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত স্পেন জাতীয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে স্পেন শেষ ষোলোতে উঠেছিল তার অধীনে।

তবে এই তালিকায় সবচেয়ে বিখ্যাত নাম নিঃসন্দেহে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের পর কোচ হিসেবেও বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েন তিনি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তার অধীনে থাকা জার্মানি ফাইনালে উঠলেও ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়। চার বছর পর ১৯৯০ সালে সেই আর্জেন্টিনাকেই হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাসে বিশেষভাবে স্থান করে নেন বেকেনবাওয়ার। তিনি খেলোয়াড় ও কোচ, দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপ জেতা ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যক্তি।

পরবর্তীতে এই তালিকায় যুক্ত হন ওলেগ ব্লোখিন এবং মার্কো ফন বাস্টেন। ব্লোখিনের অধীনে ইউক্রেন ২০০৬ সালে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অন্যদিকে ফন বাস্টেনের নেদারল্যান্ডস একই আসরে শেষ ষোলোতে পর্তুগালের কাছে বিদায় নেয়।

এবার সেই গৌরবময় তালিকায় যুক্ত হলো ক্যানাভারোর নাম। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ও ব্যালন ডি'অর জয়ের পর কোচ হিসেবেও বিশ্বকাপ মঞ্চে পা রাখলেন ইতালির কিংবদন্তি এই ডিফেন্ডার।

বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্যালন ডি’অর জয়ীদের তালিকা

লুইস সুয়ারেজ - স্পেন (১৯৯০ বিশ্বকাপ)
ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার - পশ্চিম জার্মানি (১৯৯০ বিশ্বকাপ)
ওলেগ ব্লোখিন - ইউক্রেন (২০০৬ বিশ্বকাপ)
মার্কো ফন বাস্টেন - নেদারল্যান্ডস (২০০৬ বিশ্বকাপ)
ফাবিও কানাভারো - উজবেকিস্তান (২০২৬ বিশ্বকাপ)

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow