ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট ও সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর রেকর্ড

মানুষের আবেগ, ভালোবাসা আর সম্পর্কের প্রকাশভঙ্গির মধ্যে চুমু অন্যতম প্রাচীন ও সার্বজনীন একটি অঙ্গভঙ্গি। ইতিহাস, সংস্কৃতি, সিনেমা, এমনকি বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও চুমুর রয়েছে নানা চমকপ্রদ গল্প। কোথাও আছে ক্ষণিকের স্পর্শ, কোথাও আবার অবিশ্বাস্য দীর্ঘ সময় ধরে চলা চুম্বন। চুমু শুধু রোমান্টিক নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে, চুমুর সময় মানুষের শরীরে অক্সিটোসিন ও ডোপামিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমায় এবং সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করে। আবার দীর্ঘ চুমু হৃদস্পন্দন বাড়ায়, ক্যালরি খরচ করে এবং মুখের পেশি সক্রিয় রাখে। আসুন ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট আর সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর রেকর্ডটি জেনে নেই আজ চুমু দিবসে- সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর বিশ্বরেকর্ডটি নথিভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। এই রেকর্ডের মালিক থাইল্যান্ডের দম্পতি এক্কাচিয়া টিরানারাট ও লাক্সানা টিরানারাট। তারা থাইল্যান্ডের পাতায়া শহরে আয়োজিত এক প্রতিযোগিতায় টানা ৫৮ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড ধরে চুম্বন করে এই অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েন। এই প্রতিযোগিতার নিয়ম ছিল অত্যন্ত কঠোর। অংশগ্রহণকারীরা চুমু ভাঙতে পারতেন না, এমনকি পানি পান করতেও হত

ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট ও সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর রেকর্ড

মানুষের আবেগ, ভালোবাসা আর সম্পর্কের প্রকাশভঙ্গির মধ্যে চুমু অন্যতম প্রাচীন ও সার্বজনীন একটি অঙ্গভঙ্গি। ইতিহাস, সংস্কৃতি, সিনেমা, এমনকি বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও চুমুর রয়েছে নানা চমকপ্রদ গল্প। কোথাও আছে ক্ষণিকের স্পর্শ, কোথাও আবার অবিশ্বাস্য দীর্ঘ সময় ধরে চলা চুম্বন।

চুমু শুধু রোমান্টিক নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে, চুমুর সময় মানুষের শরীরে অক্সিটোসিন ও ডোপামিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমায় এবং সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করে। আবার দীর্ঘ চুমু হৃদস্পন্দন বাড়ায়, ক্যালরি খরচ করে এবং মুখের পেশি সক্রিয় রাখে।

আসুন ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট আর সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর রেকর্ডটি জেনে নেই আজ চুমু দিবসে-

সবচেয়ে দীর্ঘ চুমুর বিশ্বরেকর্ডটি নথিভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। এই রেকর্ডের মালিক থাইল্যান্ডের দম্পতি এক্কাচিয়া টিরানারাট ও লাক্সানা টিরানারাট। তারা থাইল্যান্ডের পাতায়া শহরে আয়োজিত এক প্রতিযোগিতায় টানা ৫৮ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড ধরে চুম্বন করে এই অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েন।

এই প্রতিযোগিতার নিয়ম ছিল অত্যন্ত কঠোর। অংশগ্রহণকারীরা চুমু ভাঙতে পারতেন না, এমনকি পানি পান করতেও হতো ঠোঁট মিলিয়েই। ঘুমানো, বসা বা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ ছিল না। শুধু তাই নয়, টয়লেটে যাওয়ার সময়ও তাদের চুমু বজায় রাখতে হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই কঠিন ছিল। শেষ পর্যন্ত অসাধারণ ধৈর্য, সমন্বয় এবং দৃঢ় মনোবলের জোরে তারা বিশ্বরেকর্ড নিজেদের করে নেন।

এই রেকর্ড শুধু সময়ের দিক থেকে নয়, মানব সহনশীলতার দিক থেকেও বিস্ময়কর। চিকিৎসকদের মতে, এত দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে থাকা শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবুও ভালোবাসা আর প্রতিযোগিতার উত্তেজনা তাদের সেই সীমা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে।

দীর্ঘ চুমুর মতো সবচেয়ে ছোট চুমুর কোনো আনুষ্ঠানিক বিশ্বরেকর্ড নেই। কারণ ‘সবচেয়ে ছোট’ চুমুর সময় নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব চুমু তো মুহূর্তের ব্যাপার, কখন শুরু আর কখন শেষ তা মাপা কঠিন। তবে ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ক্ষণিকের চুমুকে ঘিরে অনেক মজার কাহিনি রয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে ইউরোপের মধ্যযুগীয় রাজদরবারে শিষ্টাচার হিসেবে হাত বা গালে হালকা স্পর্শের যে চুমু দেওয়া হতো, তা এতটাই ক্ষণস্থায়ী ছিল যে চোখের পলক ফেললেই শেষ। আবার সিনেমার ইতিহাসে অনেক দৃশ্যে পরিচালকরা ইচ্ছাকৃতভাবে খুব দ্রুত চুমুর দৃশ্য ব্যবহার করেছেন কখনো সেন্সর এড়াতে, কখনো নাটকীয়তা বাড়াতে। ফলে সবচেয়ে ছোট চুমু আসলে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়, বরং একটি ধারণা যেখানে আবেগ প্রকাশের জন্য এক সেকেন্ডও যথেষ্ট।

আরও পড়ুন
টেডি বিয়ার যেভাবে খেলনা থেকে ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠলো
পছন্দের মানুষকে আজ প্রপোজ করেই ফেলুন

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow