‘ইত্যাদি’ এবার ভোলায়

গত শতাব্দীর শেষ দশক- নব্বই থেকেই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। ইত্যাদি একটা সময়ে চার দেয়ালের বাইরে গিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আয়োজন করে আসছে তাদের পর্বগুলো।  ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রকৃতি, পর্যটনকেন্দ্রসহ জনজীবনের নানা দিক দর্শকের সামনে তুলে ধরাই ইত্যাদির লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী পরিকল্পিত জনপদ চরফ্যাশনে। মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্যাফনাল ব্যারেট স্কুল প্রাঙ্গণে। ইত্যাদির এ পর্ব উপলক্ষে পুরো ভোলাজুড়েই তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। দুপুর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় করতে শুরু করেন হাজারো দর্শক। অনুষ্ঠানস্থলে মানুষজন এসেছেন ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে ‘ইত্যাদি’ এবং এর কর্ণধার হানিফ সংকেতকে স্বাগত জানাতে।  স্থানীয়দের মতে, ভোলায় এর আগে কোনো অনুষ্ঠানে এত দর্শকের সমাগম ঘটেনি। আশপাশের বাড়িঘরের ছাদ থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ উপভোগ করেছেন এ  অনুষ্ঠান।  দর্শকপর্বে ভোলাকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় তিনজন দর্শক। দ্বিতীয় পর্বে তা

‘ইত্যাদি’ এবার ভোলায়
গত শতাব্দীর শেষ দশক- নব্বই থেকেই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। ইত্যাদি একটা সময়ে চার দেয়ালের বাইরে গিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আয়োজন করে আসছে তাদের পর্বগুলো।  ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রকৃতি, পর্যটনকেন্দ্রসহ জনজীবনের নানা দিক দর্শকের সামনে তুলে ধরাই ইত্যাদির লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী পরিকল্পিত জনপদ চরফ্যাশনে। মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্যাফনাল ব্যারেট স্কুল প্রাঙ্গণে। ইত্যাদির এ পর্ব উপলক্ষে পুরো ভোলাজুড়েই তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। দুপুর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় করতে শুরু করেন হাজারো দর্শক। অনুষ্ঠানস্থলে মানুষজন এসেছেন ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে ‘ইত্যাদি’ এবং এর কর্ণধার হানিফ সংকেতকে স্বাগত জানাতে।  স্থানীয়দের মতে, ভোলায় এর আগে কোনো অনুষ্ঠানে এত দর্শকের সমাগম ঘটেনি। আশপাশের বাড়িঘরের ছাদ থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ উপভোগ করেছেন এ  অনুষ্ঠান।  দর্শকপর্বে ভোলাকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় তিনজন দর্শক। দ্বিতীয় পর্বে তারা অভিনয় করেন ভোলারই সন্তান জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে। উপস্থিত দর্শকদের কাছে এ অংশটিও বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে। এবারের ইত্যাদিতে রয়েছে ভোলার গর্ব এম এ মুহিতকে নিয়ে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার। তিনি একমাত্র বাঙালি, যিনি পরপর দুবার জয় করেছেন পৃথিবীর সর্বোচ্চশৃঙ্গ এভারেস্ট। দ্বিতীয়বার জয়লাভের সময় মুহিত ও নিশাত মজুমদারের হাতে শোভা পাচ্ছিল ‘ইত্যাদি’ লেখা একটি ফেস্টুন। ভোলার বিভিন্ন উপজেলা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন করা হয়েছে এবাবের ইত্যাদিতে। ‘ভোলা গ্রাম ও গুলশান’ নিয়ে থাকছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভোলা জেলায় সংঘটিত ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞও উঠে এসেছে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়। পাশাপাশি পরিবেশ ও আবহাওয়ার অনুকূলে গড়ে ওঠা মহিষকেন্দ্রিক ব্যবসা ও মহিষের বাথান নিয়েও থাকছে তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। মৎস্য খাত ভোলার মানুষের অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস। তবে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে অনেক জেলে দুর্ঘটনার শিকার হন। তাদেরই এক পরিবারের করুণ কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে এবারের প্রতিবেদনে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow