ইন্দোনেশিয়ায় আকস্মিক বন্যায় নিহত ১৬

ইন্দোনেশিয়ার সিয়াউ দ্বীপে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি জানান, আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালাচ্ছে। বন্যায় ২২ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৭০০ গ্রামবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানান তিনি। আবদুল মুহারি বলেন, ভোর থেকে শুরু হওয়া তীব্র বৃষ্টিতে নদীর পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এই আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়। অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বড় বড় পাথর ও উপড়ে যাওয়া গাছ ভেসে গেছে। বন্যার কারণে কয়েকটি সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং বহু বাড়িঘরসহ সরকারি ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে বন্যা দেখা যায়। গত বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যা হয়। ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুমাত্রা দ্বীপে

ইন্দোনেশিয়ায় আকস্মিক বন্যায় নিহত ১৬

ইন্দোনেশিয়ার সিয়াউ দ্বীপে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি জানান, আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালাচ্ছে।

বন্যায় ২২ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৭০০ গ্রামবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

আবদুল মুহারি বলেন, ভোর থেকে শুরু হওয়া তীব্র বৃষ্টিতে নদীর পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এই আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়।

অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বড় বড় পাথর ও উপড়ে যাওয়া গাছ ভেসে গেছে। বন্যার কারণে কয়েকটি সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং বহু বাড়িঘরসহ সরকারি ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে বন্যা দেখা যায়। গত বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যা হয়।

ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুমাত্রা দ্বীপে এসব দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ১৭৮ জন নিহত এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যদিও প্রতি বছরই বর্ষায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়, তবে নভেম্বরের সুমাত্রার বন্যা ২০০৪ সালের ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামির পর দ্বীপটিতে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow