ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের কারণে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে টানা নবম দিনের মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন দমকলকর্মী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মীরা। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট পূর্ব জাভার ব্রোমো টেঙ্গার সেমেরু ন্যাশনাল পার্কে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৪২ হেক্টর (১,৮৩৩ একর) এলাকা পুড়ে গেছে। দীর্ঘ ও তীব্র শুষ্ক মৌসুমের শুরুতে দেশটির বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র জাতীয় উদ্যানটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে পূর্ব জাভার মাউন্ট ব্রোমোতেও পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে বোর্নিও দ্বীপের পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের রাজধানী পন্টিয়ানাকে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে পাঠানো হয়েছে। বায়ুর মান স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা বাড়ি থেকেই পড়াশোনা করবে। দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৫০ হাজার দমকলকর্মী ও দুর্য

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের কারণে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে টানা নবম দিনের মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন দমকলকর্মী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মীরা। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট পূর্ব জাভার ব্রোমো টেঙ্গার সেমেরু ন্যাশনাল পার্কে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৪২ হেক্টর (১,৮৩৩ একর) এলাকা পুড়ে গেছে। দীর্ঘ ও তীব্র শুষ্ক মৌসুমের শুরুতে দেশটির বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র জাতীয় উদ্যানটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে পূর্ব জাভার মাউন্ট ব্রোমোতেও পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে বোর্নিও দ্বীপের পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের রাজধানী পন্টিয়ানাকে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে পাঠানো হয়েছে। বায়ুর মান স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা বাড়ি থেকেই পড়াশোনা করবে। দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৫০ হাজার দমকলকর্মী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মী কাজ করছেন। আগুন নেভানোর অভিযানে কয়েক ডজন হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হচ্ছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow