ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু ২

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হানা ভূমিকম্পে বেশ কিছু ভবন ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আতঙ্কে হাজারো মানুষ নিরাপদ স্থানে ছুটে যান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দা গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে ছিল ভূমিকম্পটির কেন্দ্র। ভূমিকম্পের পর ৬.১ মাত্রার একটি আফটারশকসহ আরও দুটি কম্পন অনুভূত হয়। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, এখন পর্যন্ত একজন পুরুষ ও একজন নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র এখনও জানা যায়নি। ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। উপকূলীয় এলাকার মানুষ দ্রুত উঁচু স্থানে চলে যান। পরে সমুদ্রপৃষ্ঠে বড় ধরনের পরিবর্তন না থাকায় সতর্কতা তুলে নেয় কর্তৃপক্ষ। তবে সমুদ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি শক্তভাবে অনুভূত হয়। স্থানী

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু ২
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হানা ভূমিকম্পে বেশ কিছু ভবন ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আতঙ্কে হাজারো মানুষ নিরাপদ স্থানে ছুটে যান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দা গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে ছিল ভূমিকম্পটির কেন্দ্র। ভূমিকম্পের পর ৬.১ মাত্রার একটি আফটারশকসহ আরও দুটি কম্পন অনুভূত হয়। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, এখন পর্যন্ত একজন পুরুষ ও একজন নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র এখনও জানা যায়নি। ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। উপকূলীয় এলাকার মানুষ দ্রুত উঁচু স্থানে চলে যান। পরে সমুদ্রপৃষ্ঠে বড় ধরনের পরিবর্তন না থাকায় সতর্কতা তুলে নেয় কর্তৃপক্ষ। তবে সমুদ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি শক্তভাবে অনুভূত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরেছে এবং কিছু স্থাপনা ধসে পড়েছে। মাউমেরে শহরের একটি বন্দর টার্মিনালের অপেক্ষাকক্ষও ধসে পড়েছে বলে জানা গেছে। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৭ হাজার দ্বীপ রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ এলাকায় অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow