ইমরান হাশমিকে বিমানবন্দরে কর্মকর্তারা কেন সন্দেহের চোখে দেখতেন
বিমানবন্দরে গেলেই নাকি সন্দেহের চোখে দেখা হত বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমিকে। একাধিকবার তাকে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাজনিত পরীক্ষানিরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা নিজেই। ইমরানের ধারণা, তাকে হয়তো অন্য কারো সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতেন নিরাপত্তাকর্মীরা। শিগগির মুক্তি অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘তস্করী: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব’-এ শুল্ক দফতরের এক কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে ইমরানকে। সেই সিনেমারই একটি অনুষ্ঠানে অভিনেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়-বাস্তবে কখনো কি বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের কর্মীরা তাকে থামিয়েছেন? জবাবে ইমরান বলেন, শুল্ক বিভাগের কর্মীরা তার সঙ্গে সবসময়ই ভদ্র আচরণ করেছেন। তবে বিমানবন্দরে ঢুকলেই যে অকারণ ভয় কাজ করে, সেটাকে তিনি যুক্তিসঙ্গত মনে করেন না। উদাহরণ টেনে অভিনেতা বলেন, গাড়ি চালানো শিখে নেওয়ার পরও রাস্তায় আরটিও কর্মকর্তাকে দেখলে যেমন হঠাৎ অস্বস্তি কাজ করে, বিষয়টাও অনেকটা তেমনই। আরও পড়ুন:‘ধুরন্ধর’ এখন ভারতের সর্বাধিক আয় করা হিন্দি সিনেমা জন্মদিনে ভয়ংকর রূপে ফিরলেন যশ ইমরানের ভাষ্য, একা ভ্রমণের সময় ব্যাগে শুধু জামাকাপড় থাকলেও ‘গ্রিন চ্যানেল’ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মনে হত যেন তিনি ১০০ কে
বিমানবন্দরে গেলেই নাকি সন্দেহের চোখে দেখা হত বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমিকে। একাধিকবার তাকে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাজনিত পরীক্ষানিরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা নিজেই। ইমরানের ধারণা, তাকে হয়তো অন্য কারো সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতেন নিরাপত্তাকর্মীরা।
শিগগির মুক্তি অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘তস্করী: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব’-এ শুল্ক দফতরের এক কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে ইমরানকে। সেই সিনেমারই একটি অনুষ্ঠানে অভিনেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়-বাস্তবে কখনো কি বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের কর্মীরা তাকে থামিয়েছেন?
জবাবে ইমরান বলেন, শুল্ক বিভাগের কর্মীরা তার সঙ্গে সবসময়ই ভদ্র আচরণ করেছেন। তবে বিমানবন্দরে ঢুকলেই যে অকারণ ভয় কাজ করে, সেটাকে তিনি যুক্তিসঙ্গত মনে করেন না। উদাহরণ টেনে অভিনেতা বলেন, গাড়ি চালানো শিখে নেওয়ার পরও রাস্তায় আরটিও কর্মকর্তাকে দেখলে যেমন হঠাৎ অস্বস্তি কাজ করে, বিষয়টাও অনেকটা তেমনই।
আরও পড়ুন:
‘ধুরন্ধর’ এখন ভারতের সর্বাধিক আয় করা হিন্দি সিনেমা
জন্মদিনে ভয়ংকর রূপে ফিরলেন যশ
ইমরানের ভাষ্য, একা ভ্রমণের সময় ব্যাগে শুধু জামাকাপড় থাকলেও ‘গ্রিন চ্যানেল’ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মনে হত যেন তিনি ১০০ কেজি অবৈধ কিছু বহন করছেন। তখন নিজেকেই মাদক পাচারকারীর মতো মনে হতো।
তবে অভিনেতা জানান, আগে তাকে অভিবাসন বিভাগে থামানো হতো। সম্ভবত তার চেহারা ও কানের দুলের কারণেই এমনটা ঘটত। সে সময় তিনি বেশিরভাগই একা যাতায়াত করতেন। এখন অবশ্য পরিস্থিতি বদলেছে। ইমরান বলেন, ‘এখন যখন আমার মিষ্টি পরিবারকে সঙ্গে দেখে, তখন আর কেউ আমাকে সন্দেহের চোখে দেখে না।’
এমএমএফ
What's Your Reaction?