ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর ইউনিয়ন থেকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ স্থানীয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) দুপুরে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে কামালপুর ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- কামালপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া (৪০), তার দুই সহযোগী নূর আলম (৩০) ও তানজিদ জাহান বাবু। গ্রেপ্তারকৃত সবার বাড়ি কামালপুর ইউনিয়নে।  পুলিশ জানায়, মাসুম মিয়া ওই এলাকার আতর আলীর ছেলে, নূর আলম বাবুল মিয়ার ছেলে এবং তানজিদ জাহান এ কে এম সরোয়ার জাহানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে কামালপুর ইউনিয়নে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানকালে মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া ও তার দুই সহযোগীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে দেহ তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন

ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর ইউনিয়ন থেকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ স্থানীয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) দুপুরে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে কামালপুর ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- কামালপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া (৪০), তার দুই সহযোগী নূর আলম (৩০) ও তানজিদ জাহান বাবু। গ্রেপ্তারকৃত সবার বাড়ি কামালপুর ইউনিয়নে।  পুলিশ জানায়, মাসুম মিয়া ওই এলাকার আতর আলীর ছেলে, নূর আলম বাবুল মিয়ার ছেলে এবং তানজিদ জাহান এ কে এম সরোয়ার জাহানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে কামালপুর ইউনিয়নে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানকালে মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া ও তার দুই সহযোগীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে দেহ তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow