ইরাক ছাড়তে শুরু করেছে মার্কিন সেনারা

পশ্চিম ইরাকে অবস্থিত আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর এই ঘাঁটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনী। এমনটাই জানিয়েছে ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, আইন আল-আসাদ এয়ারবেস থেকে মার্কিন সেনারা সরে যাওয়ার পর ইরাকি সেনাবাহিনী সেখানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ২০২৪ সালে ওয়াশিংটন ও বাগদাদ মার্কিন-নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী প্রত্যাহার এবং দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি বহু বছর ধরে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর অবস্থানস্থল ছিল। আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে গেলে ঘাঁটিটি বারবার ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যার পর এসব হামলা বেড়ে যায়। ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কিছু লজিস্টিক জটিলতার কারণে অল্পসংখ্যক সেনা এখনও সেখানে রয়ে গেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। প্রত্যাহার প্রক্রিয়া ঠিক কবে শুরু হয়

ইরাক ছাড়তে শুরু করেছে মার্কিন সেনারা

পশ্চিম ইরাকে অবস্থিত আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর এই ঘাঁটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনী। এমনটাই জানিয়েছে ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, আইন আল-আসাদ এয়ারবেস থেকে মার্কিন সেনারা সরে যাওয়ার পর ইরাকি সেনাবাহিনী সেখানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

২০২৪ সালে ওয়াশিংটন ও বাগদাদ মার্কিন-নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী প্রত্যাহার এবং দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়।

আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি বহু বছর ধরে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর অবস্থানস্থল ছিল। আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে গেলে ঘাঁটিটি বারবার ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যার পর এসব হামলা বেড়ে যায়।

ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কিছু লজিস্টিক জটিলতার কারণে অল্পসংখ্যক সেনা এখনও সেখানে রয়ে গেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

প্রত্যাহার প্রক্রিয়া ঠিক কবে শুরু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শত শত সেনা ইরাক ছেড়েছে এবং ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বাকি সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow