ইরান-ওমান আলোচনায় অগ্রগতির খবরে কমেছে তেলের দাম
ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার আলোচনায় অগ্রগতির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে।
বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৭৯ দশমিক ১২ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪২ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৮০ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-ওমান আলোচনায় অগ্রগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা আশা করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটের অবস্থান নিয়ে ইরান ও ওমান সমঝোতায় পৌঁছেছে। তৃতীয় কোনো পক্ষ বাধা না দিলে এ বিষয়ে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্পষ্টভাবে জানায়নি যে তারা এই প্রস্তাবে সম্মত কি না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে চুক্তি আসন্ন বলে দাবি করলেও, মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন—এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাত
ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার আলোচনায় অগ্রগতির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে।
বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৭৯ দশমিক ১২ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪২ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৮০ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-ওমান আলোচনায় অগ্রগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা আশা করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটের অবস্থান নিয়ে ইরান ও ওমান সমঝোতায় পৌঁছেছে। তৃতীয় কোনো পক্ষ বাধা না দিলে এ বিষয়ে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্পষ্টভাবে জানায়নি যে তারা এই প্রস্তাবে সম্মত কি না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে চুক্তি আসন্ন বলে দাবি করলেও, মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন—এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে দেওয়ার বিষয়টি তারা মেনে নেবেন না।
এদিকে, ইরান সতর্ক করেছে, তাদের ওপর নতুন কোনো মার্কিন হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা আঘাত করা হবে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের কাছে একটি সৌদি তেলবাহী জাহাজ এবং এডেন উপসাগরে আরেকটি সৌদি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে সৌদি আরব এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি।
সূত্র: শাফাক নিউজ, রয়টার্স