ইরান ট্রানজিট দিয়ে মধ্য এশিয়ায় রপ্তানি চালু করল পাকিস্তান
ইরানের ট্রানজিট করিডোর ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো স্থলপথে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে পাকিস্তান। প্রথম চালান হিসেবে হিমায়িত মাংস বোঝাই একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক করাচি থেকে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে এই করিডোর চালু করে দেশটি। আফগানিস্তানের ওপর দিয়ে যাওয়া পুরোনো রুটের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তুলতেই বিকল্প এই পথ চালু করা হয়েছে। খবর তাসনিম নিউজের। প্রতিবেদনে বলা হয়, কাস্টমস ট্রানজিট ট্রেড ডিরেক্টরেট টিআইআর ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত এই করিডোরের মাধ্যমে পণ্য গোয়াদার বন্দর হয়ে ইরানের ভেতর দিয়ে মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পৌঁছাবে। পাকিস্তানের ট্রানজিট ট্রেড কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ পণ্য পরিবহনকে আরও সহজ ও দ্রুত করবে। এই করিডোর কার্যকর করতে তাফতান, রিমদান ও সোস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলো সক্রিয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে পাকিস্তানের বন্দরগুলোতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়বে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে। নতুন এই রুট পাকিস্তানের জন্য একটি সাশ্রয়ী বিকল্প পথ তৈরি করেছে। এতে সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরতা কমবে, ট্রানজ
ইরানের ট্রানজিট করিডোর ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো স্থলপথে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে পাকিস্তান। প্রথম চালান হিসেবে হিমায়িত মাংস বোঝাই একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক করাচি থেকে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে এই করিডোর চালু করে দেশটি। আফগানিস্তানের ওপর দিয়ে যাওয়া পুরোনো রুটের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তুলতেই বিকল্প এই পথ চালু করা হয়েছে। খবর তাসনিম নিউজের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কাস্টমস ট্রানজিট ট্রেড ডিরেক্টরেট টিআইআর ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত এই করিডোরের মাধ্যমে পণ্য গোয়াদার বন্দর হয়ে ইরানের ভেতর দিয়ে মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পৌঁছাবে। পাকিস্তানের ট্রানজিট ট্রেড কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ পণ্য পরিবহনকে আরও সহজ ও দ্রুত করবে।
এই করিডোর কার্যকর করতে তাফতান, রিমদান ও সোস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলো সক্রিয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে পাকিস্তানের বন্দরগুলোতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়বে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে।
নতুন এই রুট পাকিস্তানের জন্য একটি সাশ্রয়ী বিকল্প পথ তৈরি করেছে। এতে সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরতা কমবে, ট্রানজিট সময় কমবে এবং লজিস্টিক ব্যয় হ্রাস পেয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।
এদিকে, এই করিডোর চালুর প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বও বেড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করবে।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা ইরান-পাকিস্তান গ্যাস ও তেল পাইপলাইন প্রকল্প নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অতীতে চুক্তি ও উদ্বোধন হলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত হতে পারে।
What's Your Reaction?