ইরান নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি বৈঠক
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি ঘিরে জরুরি বৈঠক করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ১৫ সদস্যের এই শক্তিশালী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে জাতিসংঘে ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি বলেন, ইরানি জনগণ সংঘাত বা উত্তেজনা চায় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা উসকে দিতে ওয়াশিংটনের ‘সরাসরি সম্পৃক্ততার’ অভিযোগ তোলেন।
দারজি বলেন, ইরান উত্তেজনা বা সংঘাত চায় না। কিন্তু প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেকোনো আগ্রাসনের জবাব জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বৈধ ও আনুপাতিকভাবে দেওয়া হবে। এটি কোনো হুমকি নয়, এটি আইনি বাস্তবতার বক্তব্য।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ তার বক্তব্যে ইরানি সরকারের দমনমূলক পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইরানে চলমান ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ওয়াল্টজ বলেন, ইসলামি
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি ঘিরে জরুরি বৈঠক করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ১৫ সদস্যের এই শক্তিশালী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে জাতিসংঘে ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি বলেন, ইরানি জনগণ সংঘাত বা উত্তেজনা চায় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা উসকে দিতে ওয়াশিংটনের ‘সরাসরি সম্পৃক্ততার’ অভিযোগ তোলেন।
দারজি বলেন, ইরান উত্তেজনা বা সংঘাত চায় না। কিন্তু প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেকোনো আগ্রাসনের জবাব জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বৈধ ও আনুপাতিকভাবে দেওয়া হবে। এটি কোনো হুমকি নয়, এটি আইনি বাস্তবতার বক্তব্য।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ তার বক্তব্যে ইরানি সরকারের দমনমূলক পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইরানে চলমান ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ওয়াল্টজ বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনোই এভাবে ইরানি জনগণ তাদের স্বাধীনতার দাবি জানায়নি। বিক্ষোভকে বিদেশি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করা থেকেই বোঝা যায়, “ইরানি সরকার নিজের জনগণকেই ভয় পাচ্ছে।
জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মার্থা পোবি পরিষদকে জানান, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ইরানের ‘বিক্ষোভ’ দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এতে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের একদল দোকানদার মুদ্রার তীব্র অবমূল্যায়ন ও লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তা জাতীয় আন্দোলনে রূপ নেয়।
পোবি জানান, মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত ইরানে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়ে থাকতে পারে। যদিও জাতিসংঘ এসব সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তিনি আটক ব্যক্তিদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা এবং বিক্ষোভ-সংক্রান্ত মামলায় সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সব মৃত্যুর ঘটনা দ্রুত, স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে তদন্ত করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এর আগে বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই নেই। ফাঁসি প্রশ্নই ওঠে না।