ইরান যুদ্ধ ঘিরে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা প্রকাশ
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা প্রধানমন্ত্রী কিয়ারমারের ওপর প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর চাপ আরও বাড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সামরিক কর্মকর্তারা দেশটির কমতে থাকা সক্ষমতা নিয়ে সতর্ক করে আসছিলেন। মার্চে ইরান সংঘাতের শুরুতে সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে যুক্তরাজ্যের প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে। অন্যদিকে ফ্রান্স, গ্রিস ও ইতালি কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনের দুটি বিমানবাহী রণতরীকে খেলনা বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ব্রিটিশ নৌবাহিনী নিয়েও কটাক্ষ করেন। সমালোচনার জবাবে স্টারমার বলেন, তার সরকার শীতল যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ধারাবাহিক প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি করেছে। তবে বর্তমানে ব্রিটেনের সামরিক বাহিনী আগের তুলনায় অনেক ছোট হয়ে গেছে। সেনাবাহিনীর আকার এখন ১৯ শতকের শুরুর পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। রয়েল নেভিতে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সদস্য রয়েছে। তাদের রয়েছে: ২টি বিমানবাহী রণতরী, ১৩টি ডেস্ট্রয়ার ও ফ
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা প্রধানমন্ত্রী কিয়ারমারের ওপর প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর চাপ আরও বাড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সামরিক কর্মকর্তারা দেশটির কমতে থাকা সক্ষমতা নিয়ে সতর্ক করে আসছিলেন।
মার্চে ইরান সংঘাতের শুরুতে সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে যুক্তরাজ্যের প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে।
অন্যদিকে ফ্রান্স, গ্রিস ও ইতালি কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনের দুটি বিমানবাহী রণতরীকে খেলনা বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ব্রিটিশ নৌবাহিনী নিয়েও কটাক্ষ করেন।
সমালোচনার জবাবে স্টারমার বলেন, তার সরকার শীতল যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ধারাবাহিক প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি করেছে।
তবে বর্তমানে ব্রিটেনের সামরিক বাহিনী আগের তুলনায় অনেক ছোট হয়ে গেছে। সেনাবাহিনীর আকার এখন ১৯ শতকের শুরুর পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
রয়েল নেভিতে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সদস্য রয়েছে। তাদের রয়েছে: ২টি বিমানবাহী রণতরী, ১৩টি ডেস্ট্রয়ার ও ফ্রিগেট।
১৯৯১ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায়: ৬২ হাজার সদস্য, ৩টি বিমানবাহী রণতরী ও প্রায় ৫০টি যুদ্ধজাহাজ।
উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ব্রিটেন ওই অঞ্চলে ২১টি যুদ্ধজাহাজ ও ২টি সাবমেরিন পাঠিয়েছিল।
১৯৯০-এর দশকে যেখানে জিডিপির প্রায় ৩.৮ শতাংশ প্রতিরক্ষায় ব্যয় হতো, ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩ শতাংশে।
ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর বর্তমানে ১৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান রয়েছে, যেখানে ১৯৯১ সালে ছিল প্রায় ৭০০টি।
সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা: বর্তমানে: প্রায় ৭৪ হাজার। ১৯৯১ সালে যা ছিল: প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার।
ট্যাংকের সংখ্যা কমে ১ হাজার ২০০ থেকে প্রায় ১৫০-এ নেমে এসেছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম
What's Your Reaction?