ইরান যুদ্ধে যেভাবে সবচেয়ে বড় খেসারতটা দেবে এশিয়া
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ দীর্ঘ হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে জ্বালানি বাজারে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে এবং তা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম স্থায়ীভাবে বাড়লে নিত্যপণ্যের দামও বাড়বে। তখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অনেক দেশ সুদের হার বাড়াতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধীর করে দিতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় ব্যাহত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তা ১৫০ ডলার পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব অনুযায়ী, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বাড়লে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ কমে যায়। এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে এশিয়ার দেশগুলোতে। কারণ
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ দীর্ঘ হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে জ্বালানি বাজারে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে এবং তা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম স্থায়ীভাবে বাড়লে নিত্যপণ্যের দামও বাড়বে। তখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অনেক দেশ সুদের হার বাড়াতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধীর করে দিতে পারে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল দীর্ঘ সময় ব্যাহত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তা ১৫০ ডলার পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব অনুযায়ী, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বাড়লে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ কমে যায়।
এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে এশিয়ার দেশগুলোতে। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া তেলের বড় অংশই যায় এশিয়ায়। ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো আমদানি করা জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় সেখানে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে জ্বালানি সরবরাহ, জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
What's Your Reaction?