ইরান যুদ্ধেই শেষ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাজেট, অর্থসংকটে তেলআবিব
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ যুদ্ধে বিপুল ব্যয়ের কারণে ইতোমধ্যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ২০২৬ সালের পুরো সামরিক বাজেট শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে হিব্রু সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োম। রোববার (১৭ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থসংকটের কারণে একাধিক যুদ্ধ পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৬ সালের জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাজেট ছিল ১১১ বিলিয়ন শেকেল। মাথাপিছু সামরিক ব্যয়ের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের পরই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যয়কারী দেশ ইসরায়েল। চলতি বছর ইরানের সঙ্গে ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়ানোর পাশাপাশি ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়াতেও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে তেলআবিব। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সামরিক বাজেট ফুরিয়ে যাওয়ায় ট্যাংক মেরামত, সামরিক প্রশিক্ষণ, অভিযান পরিচালনা সক্ষমতা ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি সামরিক শিল্পকারখানার উৎপাদনও বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ যুদ্ধে বিপুল ব্যয়ের কারণে ইতোমধ্যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ২০২৬ সালের পুরো সামরিক বাজেট শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে হিব্রু সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োম।
রোববার (১৭ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থসংকটের কারণে একাধিক যুদ্ধ পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৬ সালের জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাজেট ছিল ১১১ বিলিয়ন শেকেল। মাথাপিছু সামরিক ব্যয়ের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের পরই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যয়কারী দেশ ইসরায়েল।
চলতি বছর ইরানের সঙ্গে ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়ানোর পাশাপাশি ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়াতেও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে তেলআবিব।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
সামরিক বাজেট ফুরিয়ে যাওয়ায় ট্যাংক মেরামত, সামরিক প্রশিক্ষণ, অভিযান পরিচালনা সক্ষমতা ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি সামরিক শিল্পকারখানার উৎপাদনও বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বার্তায় তারা জানিয়েছে, লেবানন, গাজা, পশ্চিম তীরসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সেনা উপস্থিতি ও অভিযান কমাতে হবে, নয়তো বাজেট বাড়িয়ে ১৭৭ বিলিয়ন শেকেল করতে হবে।
এ নিয়ে সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকতে পারেন বলে জানা গেছে।
চলতি অর্থবছরের জন্য ইসরায়েলের মোট জাতীয় বাজেট ধরা হয়েছিল ৮৫০ দশমিক ৬ বিলিয়ন শেকেল। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে তা পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য হয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরুর পর ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয় ইসরায়েলকে। বিশেষ করে আয়রন ডোম ও আয়রন বিম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই বড় অংশের সামরিক বাজেট শেষ হয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
সূত্র : প্রেস টিভি
What's Your Reaction?