ইরানকে রুখতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ইরানের ভেতরে বিশেষ বাহিনীর অভিযান চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। চলমান অচলাবস্থা ভাঙতে ওয়াশিংটন যদি আরও বড় সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এসব পরিকল্পনা কার্যকর হতে পারে। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে পারস্য উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাব্য অভিযান। এছাড়া ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। তবে ট্রাম্প এখনো ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। এদিকে ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরান ইস্যুতে তার ধৈর্য দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। তিনি তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানান। গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই দেশ
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ইরানের ভেতরে বিশেষ বাহিনীর অভিযান চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। চলমান অচলাবস্থা ভাঙতে ওয়াশিংটন যদি আরও বড় সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এসব পরিকল্পনা কার্যকর হতে পারে।
পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে পারস্য উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাব্য অভিযান। এছাড়া ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে।
তবে ট্রাম্প এখনো ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
এদিকে ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরান ইস্যুতে তার ধৈর্য দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। তিনি তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানান।
গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই দেশের আলোচনা এখনো অচল অবস্থায় রয়েছে।
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করলে তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেবে না।
এদিকে আজ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে আলোচনা পরবর্তী ধাপে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সূত্র : শাফাক নিউজ
What's Your Reaction?