ইরানে অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের চাঞ্চল্যকর দাবি
আগামী কয়েক সপ্তাহে ইরানে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে একাধিক সূত্র।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির বরাতে সিএনএন জানায়, ইরান এ যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুত করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন যদি সত্যিই ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে তাহলে তা চলমান যুদ্ধে উসকানি হিসেবে বিবেচিত হবে।
এদিকে চীনের দাবি, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতিতে তারা সহায়তা করেছে।
উল্লেখ্য, এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে। গত মঙ্গলবার এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলো
আগামী কয়েক সপ্তাহে ইরানে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে একাধিক সূত্র।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির বরাতে সিএনএন জানায়, ইরান এ যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুত করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন যদি সত্যিই ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে তাহলে তা চলমান যুদ্ধে উসকানি হিসেবে বিবেচিত হবে।
এদিকে চীনের দাবি, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতিতে তারা সহায়তা করেছে।
উল্লেখ্য, এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে। গত মঙ্গলবার এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনা শুরু হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে। প্রাথমিক পর্যায়ে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান–প্রদান হবে। ইতিবাচক অগ্রগতি হলে পরবর্তীতে সরাসরি আলোচনাও হতে পারে।
এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও সরকারি সূত্রগুলো বিবিসিকে জানায়, পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।