ইরানে পারমাণবিক হামলা নিয়ে আলোচনা চলছে: সাবেক মার্কিন কংগ্রেসওম্যান

ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছেন সাবেক মার্কিন কংগ্রেসওম্যান মার্জরি টেলর গ্রিন। তবে তার এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি এবং মার্কিন সরকারও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। রাশিয়া টুডে (আরটি) এ খবর প্রকাশ করেছে।  রোববার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গ্রিন বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি কৌশলগত বৈঠকে আলোচনা করা হচ্ছে।’ কারা এ আলোচনা করছেন, সে বিষয়ে অবশ্য কোনো তথ্য দেননি তিনি। গ্রিনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমা আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বকে একটি ‘পারমাণবিক বিপর্যয়ের’ দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ইরান যুদ্ধকে আরও বড় সংঘাতে পরিণত করতে পারে। তবে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে এমন কোনো আলোচনা চলছে বলে প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি। ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করে আসছেন গ্রিন। একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্

ইরানে পারমাণবিক হামলা নিয়ে আলোচনা চলছে: সাবেক মার্কিন কংগ্রেসওম্যান
ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছেন সাবেক মার্কিন কংগ্রেসওম্যান মার্জরি টেলর গ্রিন। তবে তার এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি এবং মার্কিন সরকারও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। রাশিয়া টুডে (আরটি) এ খবর প্রকাশ করেছে।  রোববার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গ্রিন বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি কৌশলগত বৈঠকে আলোচনা করা হচ্ছে।’ কারা এ আলোচনা করছেন, সে বিষয়ে অবশ্য কোনো তথ্য দেননি তিনি। গ্রিনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমা আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বকে একটি ‘পারমাণবিক বিপর্যয়ের’ দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ইরান যুদ্ধকে আরও বড় সংঘাতে পরিণত করতে পারে। তবে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে এমন কোনো আলোচনা চলছে বলে প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি। ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করে আসছেন গ্রিন। একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত এই সাবেক কংগ্রেসওম্যান এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সমালোচনায় সরব। এদিকে ইরান যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পেন্টাগন ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দখলে নিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান নিয়েও ভাবছে বলে দাবি করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে- এমন অভিযোগ তুলে অভিযান শুরু করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছিল, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কর্মসূচি চালাচ্ছে, এমন প্রমাণ নেই। এরপর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও সীমিত করে তেহরান। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো ‘শূন্য মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ’ এবং ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। তবে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের দাবি, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ তাদের সার্বভৌম অধিকার। একই সঙ্গে ইরান সতর্ক করেছে, আবার হামলা হলে তারা ইউরেনিয়ামকে অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রায় সমৃদ্ধ করার সক্ষমতার দিকে যেতে পারে। তবে এখনই পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানিয়েছে তেহরান। সূত্র: আরটি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow