ইরানে মৃত্যুদণ্ড বন্ধের আহ্বান ইইউসহ ২৬ দেশের
ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ২৬টি দেশ। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ইরানে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ইরাকের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ সংস্থা শাফাক নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিরোধীদের দমন, জনগণকে ভয় দেখানো কিংবা মৌলিক অধিকার চর্চার জন্য কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইইউ, ফ্রান্স, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ ২৭টি পক্ষ ইরানি কর্তৃপক্ষকে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ এবং ‘ইচ্ছামতো আটক’ করা ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আবদোররহমান বোরুমান্দ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টেই ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এসব বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। ইরান অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অস্থির
ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ২৬টি দেশ। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ইরানে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ইরাকের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ সংস্থা শাফাক নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিরোধীদের দমন, জনগণকে ভয় দেখানো কিংবা মৌলিক অধিকার চর্চার জন্য কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইইউ, ফ্রান্স, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ ২৭টি পক্ষ ইরানি কর্তৃপক্ষকে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ এবং ‘ইচ্ছামতো আটক’ করা ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আবদোররহমান বোরুমান্দ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টেই ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এসব বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। ইরান অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়েছে।
What's Your Reaction?