ইরানের অবকাঠামোতে হামলার হুমকি, কেন ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলা হচ্ছে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু—ধ্বংস করার হুমকি দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন হামলা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। মার্কিন প্রশাসন ইরানকে Strait of Hormuz খুলে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। শর্ত মানা না হলে “এক রাতেই” ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইরান এই হুমকিকে “ভিত্তিহীন” ও “উন্মাদসুলভ” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি সতর্ক করে বলেছেন, বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হলে তার জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। কেন এটি যুদ্ধাপরাধ হতে পারেআন্তর্জাতিক মানবিক আইন, বিশেষ করে Geneva Conventions অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো—যেমন বিদ্যুৎ, পানি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা—ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করে হামলা চালানো নিষিদ্ধ। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে “দ্বৈত ব্যবহার” (dual-use) থাকলে অবকাঠামো সামরিক লক্ষ্য হতে পারে। তবে পুরো দেশের সব বিদ্যুৎক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু—ধ্বংস করার হুমকি দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন হামলা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
মার্কিন প্রশাসন ইরানকে Strait of Hormuz খুলে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। শর্ত মানা না হলে “এক রাতেই” ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।
অন্যদিকে ইরান এই হুমকিকে “ভিত্তিহীন” ও “উন্মাদসুলভ” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি সতর্ক করে বলেছেন, বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হলে তার জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
কেন এটি যুদ্ধাপরাধ হতে পারে
আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, বিশেষ করে Geneva Conventions অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো—যেমন বিদ্যুৎ, পানি বা যোগাযোগ ব্যবস্থা—ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করে হামলা চালানো নিষিদ্ধ।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে “দ্বৈত ব্যবহার” (dual-use) থাকলে অবকাঠামো সামরিক লক্ষ্য হতে পারে। তবে পুরো দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র বা সেতু ধ্বংস করার হুমকি দেওয়া হলে তা সরাসরি বেসামরিক জনগণের ওপর ব্যাপক ক্ষতির ইঙ্গিত দেয়।
একজন সাবেক মার্কিন সামরিক আইনজীবী মার্গারেট ডোনোভান বলেন, “এই ধরনের বক্তব্য সরাসরি এমন কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ইঙ্গিত দেয়, যা বেসামরিক জনগণের জন্য বিপর্যয়কর হবে।”
কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, তারা সবসময় আন্তর্জাতিক আইন মেনেই পদক্ষেপ নেয়। তবে ট্রাম্প বলেছেন, “আসল যুদ্ধাপরাধ হচ্ছে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া।”
চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরসহ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালালেও এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতিও ভেস্তে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়, তাহলে তা শুধু ইরান নয়—পুরো অঞ্চলের মানবিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: CNN
What's Your Reaction?