ইরানের অবমুক্ত সম্পদ কোথায় ব্যয় হবে জানালেন ভ্যান্স
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত করা হলে সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তার তথ্য অনুযায়ী, অর্থগুলো মূলত মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে। সোমবার (২২ জুন) সুইজারল্যান্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, পরিকল্পনাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ধারণা থেকে এসেছে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছি, যাতে ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হলেও সেই অর্থ ইরানের জনগণের কল্যাণে ব্যয় হয়, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের জন্য নয়। ভ্যান্স জানান, কাতারের সহযোগিতায় তৈরি করা এই পরিকল্পনার আওতায় ইরানের অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন, ভুট্টা ও গম কেনা হবে। যা ইরানের জনগণের উপকারে আসবে। ইরানকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সমঝোতার সমালোচনা করে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কট্টরপন্থি নীতিনির্ধারক। তাদের আশঙ্কা, মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ ব্যবহৃত হলেও এতে ইরানের অন্য তহবিল বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠীর পেছনে ব্যয় করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে ভ্যান্স দাবি
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত করা হলে সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তার তথ্য অনুযায়ী, অর্থগুলো মূলত মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে।
সোমবার (২২ জুন) সুইজারল্যান্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, পরিকল্পনাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ধারণা থেকে এসেছে।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছি, যাতে ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হলেও সেই অর্থ ইরানের জনগণের কল্যাণে ব্যয় হয়, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের জন্য নয়।
ভ্যান্স জানান, কাতারের সহযোগিতায় তৈরি করা এই পরিকল্পনার আওতায় ইরানের অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন, ভুট্টা ও গম কেনা হবে। যা ইরানের জনগণের উপকারে আসবে।
ইরানকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সমঝোতার সমালোচনা করে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কট্টরপন্থি নীতিনির্ধারক। তাদের আশঙ্কা, মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ ব্যবহৃত হলেও এতে ইরানের অন্য তহবিল বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠীর পেছনে ব্যয় করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে ভ্যান্স দাবি করেন, এই ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেন পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে এবং অর্থ নির্দিষ্ট মানবিক ও কৃষিপণ্য কেনার ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হবে।
ভ্যান্স বলেন, এটি একটি আদর্শ ট্রাম্প-ধাঁচের চুক্তি। যদি কখনো ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা হয়, তাহলে সেই অর্থ একদিকে যেমন ইরানের জনগণকে খাদ্য সরবরাহে সহায়তা করবে, অন্যদিকে মার্কিন কৃষকদেরও লাভবান করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিকল্পনার সঙ্গে ২০২৩ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময়ে হওয়া বন্দি বিনিময় চুক্তির কিছুটা মিল রয়েছে। সে সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা ইরানের তহবিল সীমিতভাবে খাদ্য, কৃষিপণ্য ও ওষুধ কেনার জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি লেনদেন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের নজরদারিতে ছিল।
সূত্র : সিএনএন
What's Your Reaction?