ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করল আরব আমিরাত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ক্রমাগত হামলার মুখে এবার ইরানের কাছে আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। রোববার (২৯ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এই দাবি জানান। খবর সিএনএন-এর। মূলত চলমান সংঘাতের ৩০তম দিনে এসে ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণের দাবি জানায়, ঠিক তখনই পাল্টা এই অবস্থান নিল আমিরাত। আনোয়ার গারগাশ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের এই আগ্রাসন বন্ধে যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের স্পষ্ট গ্যারান্টি থাকতে হবে। সেইসঙ্গে আক্রমণ না করার নীতির পাশাপাশি বেসামরিক জনগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার জন্য ইরানকে অবশ্যই যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।  আমিরাতের শীর্ষ এই কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তেহরান তার প্রতিবেশীদের ‌বিভ্রান্ত করেছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আগ্রাসন চালিয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য প্রধান হুমকি হিসেবে

ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করল আরব আমিরাত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ক্রমাগত হামলার মুখে এবার ইরানের কাছে আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। রোববার (২৯ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এই দাবি জানান। খবর সিএনএন-এর। মূলত চলমান সংঘাতের ৩০তম দিনে এসে ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণের দাবি জানায়, ঠিক তখনই পাল্টা এই অবস্থান নিল আমিরাত। আনোয়ার গারগাশ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের এই আগ্রাসন বন্ধে যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের স্পষ্ট গ্যারান্টি থাকতে হবে। সেইসঙ্গে আক্রমণ না করার নীতির পাশাপাশি বেসামরিক জনগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার জন্য ইরানকে অবশ্যই যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।  আমিরাতের শীর্ষ এই কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তেহরান তার প্রতিবেশীদের ‌বিভ্রান্ত করেছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আগ্রাসন চালিয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য প্রধান হুমকি হিসেবে অভিহিত করে আমিরাত সরকার তাদের কঠোর অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে। এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছে তেহরান। ইরানে কোনো ধরনের স্থল হামলা হলে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় স্থাপনাগুলোও ব্যাপক আকারে পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইরানের ঊর্ধ্বতন দুটি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে এ কথা বলেছে। আবুধাবির কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধৈর্য দেখালেও এবার তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইরানি নেতৃত্ব। কারণ, তারা বুঝেছেন, আরব আমিরাত শুধু মার্কিন ঘাঁটির অবস্থানস্থলই নয়, যুদ্ধে তাদের ভূমিকা আরও বেশি কিছু।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow