ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ব্যবহারের হুমকি দিলেন ট্রাম্প, পাল্টা জবাব তেহরানের
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও পণ্যবাহী কার্গোর ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা জব্দ করা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ হুমকিকে উসকানিমূলক বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। খবর আল জাজিরার।
জুলাইয়ের শুরু থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে টানা ১৩তম দিনের মতো ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় সামরিক হামলার কথাও বিবেচনা করছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ বা কার্গোর যে ক্ষতি হবে, তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে।
তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বড় হতে পারে। তবু এটিই ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা।
এর জবাবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পর
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও পণ্যবাহী কার্গোর ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা জব্দ করা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ হুমকিকে উসকানিমূলক বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। খবর আল জাজিরার।
জুলাইয়ের শুরু থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে টানা ১৩তম দিনের মতো ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় সামরিক হামলার কথাও বিবেচনা করছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ বা কার্গোর যে ক্ষতি হবে, তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে।
তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বড় হতে পারে। তবু এটিই ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা।
এর জবাবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, অন্য দেশের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ভবিষ্যতের অসংশ্লিষ্ট দাবির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা একটি উসকানিমূলক নজির।
তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের অর্থ জব্দ করে আনন্দিত হয় বা লাভবান হয়, তাদের মনে রাখা উচিত রাষ্ট্রগুলো যদি সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করে, তবে আর কারও সম্পদ নিরাপদ থাকবে না। এর পরিণতি হবে বিশৃঙ্খল, যা মোটেও শান্তিপূর্ণ হবে না।
জব্দ করা ইরানি সম্পদের বিষয়টি জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল। তবে পরবর্তীতে সেই সমঝোতা ভেঙে যায়।
উল্লেখ্য, ইরানের সম্পদ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে জব্দ রয়েছে। সঠিক পরিমাণ জানা না গেলেও বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ বিদেশে আটকে আছে। ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি সংকটের পর প্রথমবারের মতো ইরানের সম্পদ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র।