ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়েছে আরব লিগ কাউন্সিল

আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়েছে আরব লিগ কাউন্সিল। মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত এক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। এতে কাতারসহ বিভিন্ন আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। কাতারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল মুরাইখি। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত। বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, জর্ডান ও ইরাকসহ একাধিক আরব দেশের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, যার জন্য ইরানকে দায়ী করা হচ্ছে। আরব লীগ এসব হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, এসব হামলায় বেসামরিক এলাকা, তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। প্রস্তাবে বলা হয়, এসব ক

ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়েছে আরব লিগ কাউন্সিল
আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়েছে আরব লিগ কাউন্সিল। মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত এক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। এতে কাতারসহ বিভিন্ন আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। কাতারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল মুরাইখি। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত। বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, জর্ডান ও ইরাকসহ একাধিক আরব দেশের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, যার জন্য ইরানকে দায়ী করা হচ্ছে। আরব লীগ এসব হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, এসব হামলায় বেসামরিক এলাকা, তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। প্রস্তাবে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের জন্য ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে দায় নিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একই সঙ্গে আরব দেশগুলোর প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করা হয় এবং বলা হয়, একটি দেশের ওপর হামলা মানে পুরো আরব বিশ্বের ওপর হামলা। আরব লীগ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা নেয় এবং ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধে বাধ্য করে। এছাড়া, হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করার ইরানের হুমকিরও নিন্দা জানানো হয়েছে। আরব লীগ সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তথ্যসূত্র : দোহা নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow