ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সংকুচিত হয়েছে ইসরায়েলের অর্থনীতি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইসরায়েলের অর্থনীতি বছরে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানেই এ তথ্য উঠে এসেছে। ইসরায়েলি অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী বছরের প্রথম তিন মাসে এ অর্থনৈতিক সংকোচন ঘটে। এর ফলে টানা দুই প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধির ধারা থেমে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার প্রধান কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে দায়ী করা হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় মাথাপিছু জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এটিকে সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিমাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে ইসরায়েলের অর্থনীতি ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেই সেই প্রবৃদ্ধি বড় ধরনের ধাক্কা খায়। এ সময় ব্যক্তিগত ভোগব্যয় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তা খাতে ব্যয় ৯ শতাংশ বেড়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সংকুচিত হয়েছে ইসরায়েলের অর্থনীতি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইসরায়েলের অর্থনীতি বছরে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানেই এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইসরায়েলি অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী বছরের প্রথম তিন মাসে এ অর্থনৈতিক সংকোচন ঘটে। এর ফলে টানা দুই প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধির ধারা থেমে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার প্রধান কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে দায়ী করা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় মাথাপিছু জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এটিকে সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিমাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে ইসরায়েলের অর্থনীতি ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেই সেই প্রবৃদ্ধি বড় ধরনের ধাক্কা খায়।

এ সময় ব্যক্তিগত ভোগব্যয় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তা খাতে ব্যয় ৯ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইসরায়েল কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেছে। এ সংক্রান্ত তথ্য ও দৃশ্য প্রচারে নানা বিধিনিষেধ রয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow