ইরানের হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের সালেহ আহমেদের বাড়িতে শোকের মাতম

ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত বাংলাদেশি সালেহ আহমেদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবার ও আত্মীয় স্বজনেরা বিলাপ করেছেন। সবার একটাই চাওয়া দ্রুত সময়ে যেন মরদেহ দেশে ফিরে আনার ব্যবস্থা করা হয়। নিহত সালেহ আহমেদ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে। সালেহ আহমেদের বাড়িতে দেখা যায়, শনিবার (১ মার্চ) রাতে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকে পরিবার সদস্য, আত্মীয় স্বজনরা শোকে বিলাপ করেছেন। তাদের এলকার মানুষেরা এসে শান্তনা দিচ্ছেন। সালেহ আহমেদের এমন মৃত্যু পরিবারের সদস্যদরা মেনে নিতে পারছেন না। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বাড়িতে গিয়ে শান্তনা দিয়েছেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় আরব আমিরাতে সালেহ আহমেদ ইফতার শেষে জরুরি খাদ্য-পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। তখন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা করছিল। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায়। মুহূর্তেই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল।

ইরানের হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের সালেহ আহমেদের বাড়িতে শোকের মাতম

ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত বাংলাদেশি সালেহ আহমেদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবার ও আত্মীয় স্বজনেরা বিলাপ করেছেন। সবার একটাই চাওয়া দ্রুত সময়ে যেন মরদেহ দেশে ফিরে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

নিহত সালেহ আহমেদ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে।

সালেহ আহমেদের বাড়িতে দেখা যায়, শনিবার (১ মার্চ) রাতে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকে পরিবার সদস্য, আত্মীয় স্বজনরা শোকে বিলাপ করেছেন। তাদের এলকার মানুষেরা এসে শান্তনা দিচ্ছেন। সালেহ আহমেদের এমন মৃত্যু পরিবারের সদস্যদরা মেনে নিতে পারছেন না। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বাড়িতে গিয়ে শান্তনা দিয়েছেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় আরব আমিরাতে সালেহ আহমেদ ইফতার শেষে জরুরি খাদ্য-পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। তখন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা করছিল। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায়। মুহূর্তেই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে থাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক থাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আরব আমিরাতে কাজ করছেন। সারা জীবন কষ্ট করেছেন। এভাবে মারা যাবেন আমরা কেউ কখনও চিন্তা করিনি। পরিবারের সবাই একদম ভেঙে পড়েছে। তাদের শান্তনা দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই।

সালেহ আহমেদ বড় ছেলে আব্দুল হক বলেন, আমরা কিছু চাই না। আমার বাবার মরদেহ দ্রুত এনে দেওয়া হোক। আমার বাবা পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে।

বড়লেখার ইউএনও গালিব চৌধুরী বলেন, আমি নিহত সালেহ আহমেদ বাড়িতে গিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেছি। পুরো পরিবার শোকে কাতর। মরদেহ দ্রুত দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন সবাই।

এম ইসলাম/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow