ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের ছবি প্রকাশ
ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান। সেটির ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ। আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করে। এরপরই ছবি প্রকাশ পেল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে সেটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের চিহ্ন রয়েছে। যুদ্ধবিমানটি ইংল্যান্ডের লেকেনহিথ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের ৪৮তম স্কোয়াড্রনের। মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড এফ-৩৫, এফ-১৫, এফ-২২ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নিতে স্কোয়াড্রনটিকে বর্তমানে সেন্ট্রাল কমান্ড মিশন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে জানা যায়, এফ-৩৫ সহ অত্যাধুনিক দুই মার্কিন বিমান বিধ্বস্তের দাবি করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, পৃথক হামলা চালিয়ে এসব বিমান বিধ্বস্ত করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইরানের আকাশসীমায় একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে
ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান। সেটির ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ। আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করে। এরপরই ছবি প্রকাশ পেল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে সেটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের চিহ্ন রয়েছে। যুদ্ধবিমানটি ইংল্যান্ডের লেকেনহিথ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের ৪৮তম স্কোয়াড্রনের। মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড এফ-৩৫, এফ-১৫, এফ-২২ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নিতে স্কোয়াড্রনটিকে বর্তমানে সেন্ট্রাল কমান্ড মিশন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে জানা যায়, এফ-৩৫ সহ অত্যাধুনিক দুই মার্কিন বিমান বিধ্বস্তের দাবি করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, পৃথক হামলা চালিয়ে এসব বিমান বিধ্বস্ত করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইরানের আকাশসীমায় একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং পাইলটের অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
এর আগে একই দিনে কাসেম দ্বীপে দক্ষিণে আরেকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে আইআরজিসি। তারা জানিয়েছে, বিমানটি পার্সিয়ান গালফের পানিতে বিধ্বস্ত হয়েছে।