ইসরাইলের সঙ্গে ইতালির প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত, কারণ কী

ইসরাইলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি, জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নবায়ন হওয়া এই চুক্তি বর্তমান পরিস্থিতির কারণে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার সরকার। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতির কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, তা স্পষ্ট করেননি। খবর আলজাজিরার। কিন্তু সম্প্রতি রোম এবং তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক বেশ তিক্ত হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহে, লেবাননে জাতিসংঘের ইতালীয় শান্তিরক্ষীদের একটি গাড়িবহরে ইসরাইলি বাহিনী সতর্কতামূলক গুলি ছোঁড়ে, এসময় একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ আহত হয়নি। তবে এ ঘটনার পর ইতালির রোমে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়। অন্যদিকে সোমবার ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানির মন্তব্যের প্রতিবাদে ইতালির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইসরাইল। তাজানি লেবাননে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের অগ্রহণযোগ্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছিলেন যে, ‘গাজার মতো আরেকটি উত্তেজনা যেকোনো মূল্যে এড়াতে হবে।’ ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি সীমিত বা স্থগিত করেছে। ইতালির বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে একই পদক্ষেপ নেওয়

ইসরাইলের সঙ্গে ইতালির প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত, কারণ কী

ইসরাইলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি, জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

তিনি বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নবায়ন হওয়া এই চুক্তি বর্তমান পরিস্থিতির কারণে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার সরকার। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতির কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, তা স্পষ্ট করেননি। খবর আলজাজিরার।

কিন্তু সম্প্রতি রোম এবং তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক বেশ তিক্ত হয়ে উঠেছে।

গত সপ্তাহে, লেবাননে জাতিসংঘের ইতালীয় শান্তিরক্ষীদের একটি গাড়িবহরে ইসরাইলি বাহিনী সতর্কতামূলক গুলি ছোঁড়ে, এসময় একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ আহত হয়নি। তবে এ ঘটনার পর ইতালির রোমে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়।

অন্যদিকে সোমবার ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানির মন্তব্যের প্রতিবাদে ইতালির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইসরাইল। তাজানি লেবাননে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের অগ্রহণযোগ্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছিলেন যে, ‘গাজার মতো আরেকটি উত্তেজনা যেকোনো মূল্যে এড়াতে হবে।’

ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি সীমিত বা স্থগিত করেছে। ইতালির বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে একই পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরাইলের গাজা নীতির বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কারণে মেলোনি সরকারের অবস্থানের প্রতিবাদে ইতালিতে ব্যাপক বিক্ষোভও হয়েছে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানিতে ইতালি তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। কিন্তু ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরাইলের মোট অস্ত্র আমদানির মাত্র ১.৩ শতাংশ আসে ইতালি থেকে। যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি এ ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow