ইসরায়েলি কট্টরপন্থি মন্ত্রী বেন গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতমার বেন গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফ্রান্স। দেশটি তাকে নিজেদের ভূখণ্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। চলতি সপ্তাহে তিনি আটক করা ফ্লোটিলা কর্মীদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক আচরণের ভিডিও প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২২ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ নোয়েল বারো লিখেছেন, আজ থেকে ইতমার বেন গাভিরের ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলো। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার যাত্রী হিসেবে থাকা ফরাসি ও ইউরোপীয় নাগরিকদের প্রতি তার নিন্দনীয় আচরণের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেন গাভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। ভিডিওতে ফ্লোটিলার কর্মীদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এতে তিনি তাদের নিয়ে বিদ্রূপ করেন। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি নৌবাহিনী সাইপ্রাস উপকূলের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ফ্লোটিলার জাহাজগুলো আটকে দেয়। এ সময় প্রায় ৪৩০ জন অংশগ্রহণকারীকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার শতাধিক

ইসরায়েলি কট্টরপন্থি মন্ত্রী বেন গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতমার বেন গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফ্রান্স। দেশটি তাকে নিজেদের ভূখণ্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। চলতি সপ্তাহে তিনি আটক করা ফ্লোটিলা কর্মীদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক আচরণের ভিডিও প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ নোয়েল বারো লিখেছেন, আজ থেকে ইতমার বেন গাভিরের ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলো। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার যাত্রী হিসেবে থাকা ফরাসি ও ইউরোপীয় নাগরিকদের প্রতি তার নিন্দনীয় আচরণের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বেন গাভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। ভিডিওতে ফ্লোটিলার কর্মীদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এতে তিনি তাদের নিয়ে বিদ্রূপ করেন।

চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি নৌবাহিনী সাইপ্রাস উপকূলের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ফ্লোটিলার জাহাজগুলো আটকে দেয়। এ সময় প্রায় ৪৩০ জন অংশগ্রহণকারীকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার শতাধিক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কর্মীদের হেনস্তার দৃশ্য প্রকাশের পর ইতালি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও স্পেনসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে। তারা এই আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানায়।

নোয়েল বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে ফরাসি নাগরিকদের এভাবে হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো বা সহিংসতার শিকার করা আমরা মেনে নিতে পারি না। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসরায়েলি রাজনৈতিক ও সরকারি ব্যক্তিত্বও এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার দীর্ঘ ধারাবাহিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের অংশ। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো আমিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানাচ্ছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow