‘ইসলামিক টিভির কাছে থাকা হত্যাযজ্ঞের ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে’

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের সময় ইসলামিক টিভির কাছে থাকা সব ভিডিও আলামত ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যারিস্টার শামস ইস্কান্দার।  সোমবার (১৮ মে) বিকেলে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।  শামস ইস্কান্দার বলেন, ‘তৎকালীন সময়ে শাপলা চত্বরের ঘটনার রাতে র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আমাদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় ব্রডকাস্ট ইকুইপমেন্ট, কম্পিউটার এবং এডিটিং প্যানেলসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি ধ্বংস করে জোরপূর্বক সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সেদিনের ঘটনার সব ধরনের ভিডিও ফুটেজ, নথিপত্র এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশের আলামত সংরক্ষিত রয়েছে। প্রসিকিউশন টিম চাইলে তদন্তের স্বার্থে তারা সব ধরনের আলামত সরবরাহ করবেন এবং প্রয়োজনে আদালতে সাক্ষী দিতেও প্রস্তুত আছেন।’ তিনি বলেন, ‘চলমান একটি লাইভ ঘটনাকে কোনোভাবেই উসকানিমূলকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। এটি একটি স্বাভাবিক লাইভ সম্প্রচার ছিল। তাছাড়া তৎকালীন অন্য চ্যানেলের তুলনায় আমাদ

‘ইসলামিক টিভির কাছে থাকা হত্যাযজ্ঞের ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে’

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের সময় ইসলামিক টিভির কাছে থাকা সব ভিডিও আলামত ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যারিস্টার শামস ইস্কান্দার। 

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। 

শামস ইস্কান্দার বলেন, ‘তৎকালীন সময়ে শাপলা চত্বরের ঘটনার রাতে র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আমাদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় ব্রডকাস্ট ইকুইপমেন্ট, কম্পিউটার এবং এডিটিং প্যানেলসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি ধ্বংস করে জোরপূর্বক সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সেদিনের ঘটনার সব ধরনের ভিডিও ফুটেজ, নথিপত্র এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশের আলামত সংরক্ষিত রয়েছে। প্রসিকিউশন টিম চাইলে তদন্তের স্বার্থে তারা সব ধরনের আলামত সরবরাহ করবেন এবং প্রয়োজনে আদালতে সাক্ষী দিতেও প্রস্তুত আছেন।’

তিনি বলেন, ‘চলমান একটি লাইভ ঘটনাকে কোনোভাবেই উসকানিমূলকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। এটি একটি স্বাভাবিক লাইভ সম্প্রচার ছিল। তাছাড়া তৎকালীন অন্য চ্যানেলের তুলনায় আমাদের প্রযুক্তি কম উন্নত থাকায় আমরা অনেক কম সময় লাইভে ছিলাম।’

ইসলামিক টিভি বন্ধের মূল কারণ হিসেবে তারা মনে করেন, এটি কোনো নিয়মতান্ত্রিক বিষয় ছিল না, বরং সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং পারিবারিক আক্রোশের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই তদন্তের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পাবেন।

এ সময় ইসলামিক টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহজানুল ইসলাম, প্রধান বার্তা সম্পাদক রফিক উজ জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow