ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা গ্রাহক ফোরামের

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তির সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন এবং ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আবারও বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। একই সঙ্গে ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। এতে সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সদস্য সচিব মোতাছিম বিল্লাহসহ বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি ব্যাংক নয়, এটি কোটি কোটি গ্রাহকের আস্থা, দেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক এবং জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের রেমিটেন্স প্রবাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের বড় একটি অংশ এ ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আরও পড়ুন ইসল

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা গ্রাহক ফোরামের

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তির সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন এবং ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আবারও বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।

একই সঙ্গে ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। এতে সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সদস্য সচিব মোতাছিম বিল্লাহসহ বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি ব্যাংক নয়, এটি কোটি কোটি গ্রাহকের আস্থা, দেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক এবং জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের রেমিটেন্স প্রবাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের বড় একটি অংশ এ ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, গত ২৪ মে থেকে গ্রাহকরা ধারাবাহিকভাবে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে ব্যাংকের সুশাসন, স্থিতিশীলতা ও গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল করে গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত শুধু সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমকে প্রত্যাহার করেছে এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হলেও তা এখনো আইনে পরিণত হয়নি। তবে তারল্য সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তায় গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম তাদের সাত দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-সৎ ও পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠন, প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার ও দায়ীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা বাতিল এবং ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জাতীয় সংসদে দেওয়া বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়। এটি দেশের কোটি কোটি গ্রাহকের আমানত, বিশ্বাস ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই গ্রাহকদের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে নতুন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। আগামী ৯ জুলাই দিলকুশার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ জুলাই জেলা শহরের শাখাগুলোর সামনে অবস্থান কর্মসূচি এবং ১৮ জুলাই শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গ্রাহক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়।

ইএআর/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow