ইসি–সেনাসদর সমন্বয়ে পার্বত্য ভোটে আকাশপথ ব্যবহার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুর্গম পার্বত্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আকাশপথ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সেনাসদরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনি মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় মোট ২০টি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩ টিসহ সর্বমোট ৩টি পার্বত্য জেলার ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও সীমিত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপজেলা সদর হতে ভোটকেন্দ্রে প্রেরণ এবং উপজেলা সদরে ফেরত আনার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার প্রয়োজন হবে। এতে আরও বলা হয়, এরজন্য নির্বাচনি দ্রব্যাদির পরিমান এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা, বিদ্যমান হেলিকপ্টারের ধারণ ক্ষমতা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় যাতায়াতের তারিখ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট রিটার্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুর্গম পার্বত্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আকাশপথ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সেনাসদরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনি মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় মোট ২০টি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩ টিসহ সর্বমোট ৩টি পার্বত্য জেলার ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও সীমিত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপজেলা সদর হতে ভোটকেন্দ্রে প্রেরণ এবং উপজেলা সদরে ফেরত আনার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার প্রয়োজন হবে।
এতে আরও বলা হয়, এরজন্য নির্বাচনি দ্রব্যাদির পরিমান এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা, বিদ্যমান হেলিকপ্টারের ধারণ ক্ষমতা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় যাতায়াতের তারিখ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং ও সেনাসদর, জিএস শাখা (এমও পরিদপ্তর) এর সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ছেলিকপ্টার সহায়তার পরিকল্পনা জরুরী ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ হতে অনুরোধ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এর চাহিদা অনুসারে যেসকল ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি দ্রব্যাদি পরিবহন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্রে আনা-নেয়ার কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে, সেসকল ভোটকেন্দ্রের তথ্য আগামী আজকের মধ্যে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। যা চলবে ১০ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
What's Your Reaction?