ইয়েমেনের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান রাশিয়ার
ইয়েমেনের ওপর আরোপিত স্থল ও সমুদ্র অবরোধ সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে দেশটিতে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি পণ্য সরবরাহের ওপর থাকা সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের করতে বলেছে দেশটি। শুক্রবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধি ইউলিয়া ঝদানভা এ আহ্বান জানান। ইয়েমেনে চলমান সহিংসতা বৃদ্ধির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেন। ঝদানভা বলেন, আমরা ইয়েমেনের ওপর স্থল ও সমুদ্র অবরোধ সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার এবং দেশটিতে খাদ্য, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের ওপর থাকা সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনের শান্তি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা হুতিদের এমন একটি আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শুরু করেছে। রুশ প্রতিনিধি অবিলম্বে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানান। তার মতে, ইয়েমেন সংকটের রাজনৈতিক সমাধান কেবল সংলাপের মাধ্যমেই সম্ভব। এ সংলাপে হুতিসহ দেশটির সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির ন্যায্য স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
ইয়েমেনের ওপর আরোপিত স্থল ও সমুদ্র অবরোধ সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে দেশটিতে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি পণ্য সরবরাহের ওপর থাকা সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের করতে বলেছে দেশটি। শুক্রবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধি ইউলিয়া ঝদানভা এ আহ্বান জানান। ইয়েমেনে চলমান সহিংসতা বৃদ্ধির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেন।
ঝদানভা বলেন, আমরা ইয়েমেনের ওপর স্থল ও সমুদ্র অবরোধ সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার এবং দেশটিতে খাদ্য, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের ওপর থাকা সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনের শান্তি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা হুতিদের এমন একটি আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শুরু করেছে।
রুশ প্রতিনিধি অবিলম্বে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানান। তার মতে, ইয়েমেন সংকটের রাজনৈতিক সমাধান কেবল সংলাপের মাধ্যমেই সম্ভব। এ সংলাপে হুতিসহ দেশটির সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির ন্যায্য স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
রাশিয়ার এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইয়েমেনকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং দেশটির মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?