ঈদ উপহারের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ
রাজবাড়ীর পাংশায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার থেকে বরাদ্দ দেওয়া ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার (সচিব) বিরুদ্ধে। জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৮ থেকে ৯ কেজি।
রোববার ( ১৫ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার বারান্দায় চাল ঢেলে বালতিতে ভরে উপকারভোগীদের চাল দেওয়া হচ্ছে। চাল পরিমাপের জন্য নেই কোনো পরিমাপ যন্ত্র। সাংবাদিকের উপস্থিতির পর একটি পরিমাপ যন্ত্র এনে বালতি ভরে পরিমাপ করে দেখা যায়, ৯ কেজি ২৯৩ গ্রাম চাল।
এসময় চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফকে পাওয়া যায়নি। তবে পাশেই মাস্ক পরে বসে চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করতে দেখা গেছে উপজেলা মৎস্য অফিসের হ্যাচারি সহকারী মো. মনিরুজ্জামানকে।
আয়সা বেগম নামের এক উপকারভোগী চাল পেয়ে পৌরসভার সামনের একটি দোকানে ওজন দিয়ে দেখেন, ৮ কেজি ৮শত গ্রাম চাল পেয়েছেন। অন্য এক উপকারভোগী চাল মেপে দেখেন ৮ কেজি ২০০ গ্রাম।
তাইজেল নামের এক উপকারভোগী বলেন, চাল নিয়ে মনে হলো ওজনে কম, পরে পৌরসভার সামনে থেকে ওজন করে দেখা যায়, ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম। পরে
রাজবাড়ীর পাংশায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার থেকে বরাদ্দ দেওয়া ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার (সচিব) বিরুদ্ধে। জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৮ থেকে ৯ কেজি।
রোববার ( ১৫ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার বারান্দায় চাল ঢেলে বালতিতে ভরে উপকারভোগীদের চাল দেওয়া হচ্ছে। চাল পরিমাপের জন্য নেই কোনো পরিমাপ যন্ত্র। সাংবাদিকের উপস্থিতির পর একটি পরিমাপ যন্ত্র এনে বালতি ভরে পরিমাপ করে দেখা যায়, ৯ কেজি ২৯৩ গ্রাম চাল।
এসময় চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফকে পাওয়া যায়নি। তবে পাশেই মাস্ক পরে বসে চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করতে দেখা গেছে উপজেলা মৎস্য অফিসের হ্যাচারি সহকারী মো. মনিরুজ্জামানকে।
আয়সা বেগম নামের এক উপকারভোগী চাল পেয়ে পৌরসভার সামনের একটি দোকানে ওজন দিয়ে দেখেন, ৮ কেজি ৮শত গ্রাম চাল পেয়েছেন। অন্য এক উপকারভোগী চাল মেপে দেখেন ৮ কেজি ২০০ গ্রাম।
তাইজেল নামের এক উপকারভোগী বলেন, চাল নিয়ে মনে হলো ওজনে কম, পরে পৌরসভার সামনে থেকে ওজন করে দেখা যায়, ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম। পরে পৌরসভায় গিয়ে বাকি চাল নিয়ে এসেছি।
জানা গেছে, পাংশা পৌরসভার ৪ হাজার ৬২৫ জন দরিদ্র ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪৬ হাজার ২৫০ কেজি চাল। বরাদ্দকৃত চাল খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলন করেছেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহানগীর হোসেন।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহানগীর হোসেন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ৩০ কেজি ওজনের ১৫শ ৪৪ বস্তা চাল উত্তোলন করে পৌরসভার গোডাউনে রেখেছি। শনিবারে বিতরণ হয়েছে এবং আজ (রোববার) বিতরণ করা হচ্ছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, পৌরসভার পাশেই টিসিবি দেওয়া হচ্ছে আমি সেখানের দায়িত্বে আছি। পৌরসভার চাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠার পর সেখানে এসেছি।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) আনিছুর রহমান বলেন, একটি বস্তার ওজন ৩০০ গ্রাম। বস্তায় চালও কম থাকে। সব মিলিয়ে সাড়ে ৯ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হক বলেন, পৌরসভার বাইরে থেকে ওজন করলে তা আমলে নেওয়া হবে না। যেখানে চাল দেওয়া হচ্ছে সেখানে একটি মিটার নিয়ে পরিমাপ করলে সেটা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।