ঈদুল আজহায় ৬ দিনের ছুটি অনুমোদন
ঈদুল আজহায় ৬ দিনের ছুটি অনুমোদন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে চলতি বছরের মে মাসে বছরের অন্যতম দীর্ঘতম ছুটি উপভোগ করতে পারবেন বাসিন্দারা। মূলত আরাফাহ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশটিতে টানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সম্প্রতি খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাহ দিবস পালিত হয়। এ দিবসটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র। এই দিনটির পরপরই তিন দিনব্যাপী ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখগুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আরাফাহ দিবস পড়তে পারে মঙ্গলবার, ২৬ মে। এর পরদিন ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটি থাকবে। সপ্তাহের শেষে শনি-রোববার যুক্ত হলে মোট ছুটি দাঁড়াতে পারে ছয় দিন। এছাড়া কেউ যদি ২৫ মে একদিনের বার্ষিক ছুটি নেন, তাহলে আগে-পরে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৯ দিনের ছুটি উপভোগ করা সম্ভব হবে। ফলে এই সময় ভ্রমণ, পারিবারিক আয়োজন বা বিশ্রামের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জিলহজ মাস শুরু হতে পারে ১৮ মে। তবে চূড়ান্ত তারিখ সৌ
ঈদুল আজহায় ৬ দিনের ছুটি অনুমোদন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে চলতি বছরের মে মাসে বছরের অন্যতম দীর্ঘতম ছুটি উপভোগ করতে পারবেন বাসিন্দারা। মূলত আরাফাহ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশটিতে টানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সম্প্রতি খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাহ দিবস পালিত হয়। এ দিবসটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র। এই দিনটির পরপরই তিন দিনব্যাপী ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখগুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আরাফাহ দিবস পড়তে পারে মঙ্গলবার, ২৬ মে। এর পরদিন ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটি থাকবে। সপ্তাহের শেষে শনি-রোববার যুক্ত হলে মোট ছুটি দাঁড়াতে পারে ছয় দিন। এছাড়া কেউ যদি ২৫ মে একদিনের বার্ষিক ছুটি নেন, তাহলে আগে-পরে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৯ দিনের ছুটি উপভোগ করা সম্ভব হবে। ফলে এই সময় ভ্রমণ, পারিবারিক আয়োজন বা বিশ্রামের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জিলহজ মাস শুরু হতে পারে ১৮ মে। তবে চূড়ান্ত তারিখ সৌদি আরবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহা ইসলামের দ্বিতীয় বড় উৎসব। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই উৎসবের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো তাকওয়া তথা আল্লাহভীতির চর্চা। লোক দেখানো বা ব্যক্তিগত অহমিকা প্রদর্শন নয়; আল্লাহর ভয় হৃদয়ে ধারণ করে প্রিয়তম বস্তুটি আল্লাহর পথে বিসর্জন দেওয়াই কোরবানির লক্ষ্য। আল্লাহ তা’আলার নির্দেশিত পন্থায় যথাযথভাবে কোরবানি দেওয়াই তাকওয়ার প্রমাণ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘কেউ আল্লাহর নিদর্শনাবলিকে সম্মান করলে এ তো তার হৃদয়ের তাকওয়াপ্রসূত।’ (সুরা হজ : ৩২)
কোরবানি শব্দের অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ, বিসর্জন। কোরবানি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশ্ব মুসলিমদের জন্য একটি মহৎ ইবাদত। আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের উদ্দেশ্য আত্মোৎসর্গ করাই কোরবানি। শরিয়তের পরিভাষায় মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্য, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পশু জবেহ করাকে কোরবানি বলা হয়।