ঈদে পোশাক বিক্রিতে ভাটা, মূল্যছাড় দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বাড়ায় রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ঈদ কেনাকাটায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আকর্ষণীয় অফার ও ডিসকাউন্ট (মূল্যছাড়) দিয়েও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা মিলছে না। ফলে ঈদ মৌসুম ঘিরে যে বেচাকেনার আশা ছিল, তা অনেকটাই ভেস্তে যেতে বসেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর যে জমজমাট পরিবেশ থাকার কথা, এবার সেখানে অনেকটাই নিরবতা বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, মানুষ এখন পোশাক কেনার চেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত। মুয়াজ নামের এক বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, এই ঈদে আশানুরূপ ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। সন্ধ্যা ৭টা থেকে বাড়িয়ে মার্কেট খোলা রাখার সময় রাত ১০টা পর্যন্ত করা হলেও নেই ক্রেতা। অন্যান্য বছর যে পরিমাণ বিক্রি হতো, এবার তার ধারেকাছেও নেই। খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের। আরও পড়ুনকোরবানির বাজারে মন্দার আভাস কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চাঙা কোমলপানীয়ের বাজার  আরেক ব্যবসায়ী আবু সাইদ জাগো নিউজকে বলেন, ক্রেতা টানতে ঈদের জামা-কাপড়ে ২০ থ

ঈদে পোশাক বিক্রিতে ভাটা, মূল্যছাড় দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বাড়ায় রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ঈদ কেনাকাটায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আকর্ষণীয় অফার ও ডিসকাউন্ট (মূল্যছাড়) দিয়েও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা মিলছে না। ফলে ঈদ মৌসুম ঘিরে যে বেচাকেনার আশা ছিল, তা অনেকটাই ভেস্তে যেতে বসেছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর যে জমজমাট পরিবেশ থাকার কথা, এবার সেখানে অনেকটাই নিরবতা বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, মানুষ এখন পোশাক কেনার চেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত।

মুয়াজ নামের এক বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, এই ঈদে আশানুরূপ ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। সন্ধ্যা ৭টা থেকে বাড়িয়ে মার্কেট খোলা রাখার সময় রাত ১০টা পর্যন্ত করা হলেও নেই ক্রেতা। অন্যান্য বছর যে পরিমাণ বিক্রি হতো, এবার তার ধারেকাছেও নেই। খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

আরও পড়ুন
কোরবানির বাজারে মন্দার আভাস 
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চাঙা কোমলপানীয়ের বাজার 

আরেক ব্যবসায়ী আবু সাইদ জাগো নিউজকে বলেন, ক্রেতা টানতে ঈদের জামা-কাপড়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দিচ্ছি। তারপরও সম্ভাব্য ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রি কম হওয়ায় নতুন পণ্য আমদানি করতেও (দোকানে তুলতে) হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা আরও জানান, সাধারণত কোরবানির ঈদে পোশাক বিক্রি কিছুটা কম হলেও এবারের পরিস্থিতি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে খারাপ। অনেকে শুধু প্রয়োজনীয় কেনাকাটাতেই সীমাবদ্ধ থাকছেন। ফলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

রাখেউল রানা/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow