ঈদে সীমান্তে সক্রিয় চোরাকারবারিরা, পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় পণ্য জব্দ
আসন্ন ঈদুল আযহাকে ঘিরে তিন দিক থেকে ভারত বেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সীমান্তে সক্রিয় হয়ে ওঠেছে চোরাচালারী একটি শক্তিশালী চক্র। তারা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতো। শনিবার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল উপজেলা সদরের মহিলা কলেজের পিছনে একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করে। এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানালেন, ওই বাসা ভাড়া নিয়ে কারা চোরাকারবারি করতো তদন্তের স্বার্থে তা এখনি প্রকাশ করা যাচ্ছে না। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন নজরদারি শেষে গোপন সংবাদের ভীত্তিতে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল মহিলা ডিগ্রি কলেজের পিছনে একটি বাসা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে প্রায় ৩৫ প্রকারের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী ও ৩০০ কেজি বাসুমতি চাল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাক
আসন্ন ঈদুল আযহাকে ঘিরে তিন দিক থেকে ভারত বেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সীমান্তে সক্রিয় হয়ে ওঠেছে চোরাচালারী একটি শক্তিশালী চক্র। তারা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতো।
শনিবার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল উপজেলা সদরের মহিলা কলেজের পিছনে একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করে। এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানালেন, ওই বাসা ভাড়া নিয়ে কারা চোরাকারবারি করতো তদন্তের স্বার্থে তা এখনি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন নজরদারি শেষে গোপন সংবাদের ভীত্তিতে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল মহিলা ডিগ্রি কলেজের পিছনে একটি বাসা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে প্রায় ৩৫ প্রকারের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী ও ৩০০ কেজি বাসুমতি চাল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা।
পুলিশের ভাষ্য, উপজেলা সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে একটি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসুমতি চালের মজুদ ও বিপণন করে আসছিলো। কুড়িগ্রাম সদর কেন্দ্রিক চক্রটি ভোটহাট, মাদারগঞ্জ ও নারায়নপুর সীমান্ত অঞ্চল ব্যবহার এই সকল ভারতীয় পণ্য চোরাচালান করে আসছে। দীর্ঘদিন নজরদারির পর আজ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ আরো জানায়, উক্ত বাড়ির মালিকের নিকট হতে এই চোরাকারবারি চক্রের সকল তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যা তদন্তের স্বার্থে এখনি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আজিম উদ্দিন জানালেন, বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুন জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
What's Your Reaction?