ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে প্রায় স্বাভাবিক সচিবালয়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে সোমবার (১৬ মার্চ) শেষ কর্মদিবসে অফিস করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। শেষ কর্মদিবসে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক। তবে কেউ কেউ হাজিরা দিয়ে গ্রামে যেতে ছুটেছেন বাস ও রেল স্টেশনে। সোমবার সকাল থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাভাবিকভাবে অফিস করছেন। তবে কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের আসন ফাঁকা দেখা গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে হাজিরা দেওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয় ত্যাগ করতে দেখা গেছে। ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।  কেউ কেউ ছুটি নেননি, কিন্তু হাজিরা দেওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে অফিস ত্যাগ করছেন বলে

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে প্রায় স্বাভাবিক সচিবালয়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে সোমবার (১৬ মার্চ) শেষ কর্মদিবসে অফিস করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। শেষ কর্মদিবসে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক। তবে কেউ কেউ হাজিরা দিয়ে গ্রামে যেতে ছুটেছেন বাস ও রেল স্টেশনে।

সোমবার সকাল থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাভাবিকভাবে অফিস করছেন। তবে কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের আসন ফাঁকা দেখা গেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে হাজিরা দেওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয় ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। 

কেউ কেউ ছুটি নেননি, কিন্তু হাজিরা দেওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে অফিস ত্যাগ করছেন বলে জানা গেছে। যাদের বাড়ি দূর-দূরান্তে তারা মূলত বাড়তি সুবিধা পেতে শেষ কর্মদিবসেই ঢাকা ছাড়ছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগ) মোহাম্মদ শামীম সোহেল জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের মতোই প্রায় স্বাভাবিক। আলাদা করে কাউকে এ দিন ছুটি দেওয়া হয়নি।

সোমবার সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় ১ ও ২ নম্বর গেটের মধ্যে থাকা অভ্যর্থনা কক্ষ এবং সচিবালয়ের ভেতরে মানুষের আনাগোনা কিছুটা কম। ৬ ও ৭ নম্বর ভবনের সামনের লিফটগুলোতে মানুষের ভিড় নেই। তবে গাড়ি রাখার স্থানগুলো অন্যান্য দিনের মতোই গাড়িতে পূর্ণ রয়েছে।

লিফট চালকরা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঈদের বকশিশ আদায়ের তৎপর রয়েছেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

jagonews24

চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের আগে-পরে দুদিন করে মোট চারদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সেই হিসাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচদিন ঈদের ছুটি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল।

তবে ঈদের আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি। এরপর ঈদের নির্ধারিত ছুটি শুরু হওয়ার আগে মাঝখানে একদিন (১৮ মার্চ) অফিস খোলা। কিন্তু ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে টানা ৭ দিনের ছুটি নিশ্চিতে বিভিন্ন মহল থেকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে।

১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটির মাধ্যমে টানা সাত দিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছে সরকার। তাই সরকারি চাকরিজীবীরা ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ছুটি কাটাবেন।

আরএমএম/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow