ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে : সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে সমাজের বিত্তশালী মানুষেরা দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা উচিত। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার পৃথক তিনটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরীর জিন্দাবাজারে গ্রীন ডিজঅ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত ঈদের পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রতিবন্ধীরা অনেক সময় সমাজের পাশাপাশি পরিবার থেকেও অবহেলার শিকার হন। এমনকি অনেক বিত্তশালী পরিবারে জন্ম নিয়েও তারা যথাযথ সহানুভূতি পান না। তাই এ বিষয়ে সমাজের মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের নিয়ে গ্রীন ডিজঅ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ঢাকাস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। অনুষ্ঠানে জিডিএফ পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেফ দৃষ্টি প্রতি
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে সমাজের বিত্তশালী মানুষেরা দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা উচিত। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার পৃথক তিনটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নগরীর জিন্দাবাজারে গ্রীন ডিজঅ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত ঈদের পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রতিবন্ধীরা অনেক সময় সমাজের পাশাপাশি পরিবার থেকেও অবহেলার শিকার হন। এমনকি অনেক বিত্তশালী পরিবারে জন্ম নিয়েও তারা যথাযথ সহানুভূতি পান না। তাই এ বিষয়ে সমাজের মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।
তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের নিয়ে গ্রীন ডিজঅ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ঢাকাস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে জিডিএফ পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদের পোশাক বিতরণ করা হয়। এর আগে সিসিক প্রশাসক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
জিডিএফ সভাপতি রমেশ দত্তের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক মো. বায়জিদ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, শিল্পকলা একাডেমির কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য শামসুল বাসিত শেরো, রহমানিয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি আতাউর রহমান, জিডিএফের উপদেষ্টা মিফতাহুল হোসেন সুইট, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা ও এনসিপি সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল।
এদিকে সিলেট নগরীর মিরের ময়দানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজে আয়োজিত ‘ঈদ স্মাইল প্রজেক্ট’-এর আওতায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, সমাজে ও বিদেশে বসবাসরত বিত্তশালী মানুষরা যদি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে তারাও আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকে বাংলাদেশিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। সিলেটের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়সহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকা রাখছে।
গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (জিএসসি) ইউকে সিলেট চ্যাপ্টারের উদ্যোগে প্রায় দেড় শতাধিক অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য প্যাকেজে চাল, ডাল, দুধ, পেঁয়াজ, আলু, তেল, চানা, সেমাই ও আটাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ছিল।
সংগঠনের সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি প্রফেসর মো. কবির আহমেদের সভাপতিত্বে ও ট্রেজারার আলী আহসান হাবীবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমেদ, জিএসসি ইউকে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মোসাহিদ, নর্থ ইস্ট রিজিওনের ট্রেজারার আলহাজ আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির চ্যারিটি কো-অর্ডিনেটর সিরাজুল আমিন তারাপদার মিসবাহ এবং সাউথ ইস্ট রিজিওনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম চৌধুরীসহ অন্যরা।
অন্যদিকে সিলেট সদর উপজেলার মইয়ারচরে সিলেট আনন্দ টুরিস্ট গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে সিসিক প্রশাসক বলেন, আগে সিলেট সিটি করপোরেশনে ছিল ২৭টি ওয়ার্ড, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৪২টি। কিন্তু এখনও সেই অনুপাতে আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোতে সেবা সম্প্রসারণ করতে গিয়ে সিটি করপোরেশন নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একা একটি আধুনিক ও সুন্দর নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিলেট আনন্দ টুরিস্ট গ্রুপের পরিচালক সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মনাফ, টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ আহমদ, মইয়ারচর তাবিয়া তাহেরিয়া আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জালাল উদ্দিন, শাহ খুররম ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. কমর উদ্দিন এবং ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদসহ অন্যরা।
What's Your Reaction?