ঈদের ছুটিতেও সচল থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সরকারি ছুটিতেও দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউসের কার্যক্রম খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বন্দরে পণ্য খালাস, কন্টেইনার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা তদারকিতে তিনটি পৃথক টাস্কফোর্স গঠন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি শুল্কায়ন কার্যক্রম চালু রাখতে ১০টি বিশেষ টিম গঠন করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে কাস্টমস, শিপিং এজেন্ট, ব্যাংক, সিঅ্যান্ডএফসহ অন্তত ২৬টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত কার্যক্রম প্রয়োজন। এর মধ্যে যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আমদানি-রফতানিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজার ৭০০ টিইইউএস কন্টেইনার ওঠানামা করলেও ডেলিভারি হয় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টিইইউএস। তবে ঈদের ছুটির সময় সাধারণত কন্টেইনার ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও ডেলিভারি কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা। কারণ আমদানিকৃত কাঁচামাল খালাস ও প্রস্তুত পোশাক রফতানিতে বিলম্ব তৈরি হয়। বিজিএমইএর পরিচালক

ঈদের ছুটিতেও সচল থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সরকারি ছুটিতেও দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউসের কার্যক্রম খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বন্দরে পণ্য খালাস, কন্টেইনার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা তদারকিতে তিনটি পৃথক টাস্কফোর্স গঠন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি শুল্কায়ন কার্যক্রম চালু রাখতে ১০টি বিশেষ টিম গঠন করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে কাস্টমস, শিপিং এজেন্ট, ব্যাংক, সিঅ্যান্ডএফসহ অন্তত ২৬টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত কার্যক্রম প্রয়োজন। এর মধ্যে যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আমদানি-রফতানিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজার ৭০০ টিইইউএস কন্টেইনার ওঠানামা করলেও ডেলিভারি হয় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টিইইউএস। তবে ঈদের ছুটির সময় সাধারণত কন্টেইনার ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও ডেলিভারি কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা। কারণ আমদানিকৃত কাঁচামাল খালাস ও প্রস্তুত পোশাক রফতানিতে বিলম্ব তৈরি হয়।

বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, বন্দর ও কাস্টমসকে অনুরোধ করবো, তারা যেন বন্দরকে বন্ধ হিসেবে বিবেচনা না করে। আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালু থাকলে উৎপাদন ব্যবস্থায় কোনো গ্যাপ তৈরি হবে না।

ঈদের আগে বন্দরকেন্দ্রিক চাপ বেড়েছে বেসরকারি অফডকগুলোতেও। বর্তমানে ২১টি অফডকে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৭ হাজার রফতানি কন্টেইনার ও আড়াই হাজার আমদানি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার রফতানি এবং সাড়ে ৩ হাজার আমদানি কন্টেইনারে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গঠিত টাস্কফোর্সগুলো বহির্নোঙরে বাল্ক পণ্য খালাস, জেটিতে কন্টেইনার ওঠানামা এবং বন্দরের জলসীমার নিরাপত্তা তদারকি করবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, ঈদের সময় দুটি টাস্কফোর্স পণ্য খালাস ও জেটি-ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও একটি পৃথক টাস্কফোর্স কাজ করবে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসও ঈদের ছুটিতে শুল্কায়ন ও এক্সামিনেশন কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেন, শুল্কায়ন ও এক্সামিনেশন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত জনবল দায়িত্ব পালন করবে।

উল্লেখ্য, আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহার সাত দিনের সরকারি ছুটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow