ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান

পবিত্র ঈদুল আজহার জামাতের জন্য প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দান। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী। । সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের আয়তন ২১ দশমিক ৯৯ একর। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই এই মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে বড় কোনো মিম্বার ছিল না। ২০১৫ সালে মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করে জেলা পরিষদ। ২০১৭ সালে সম্পন্ন হয় নির্মাণকাজ। ৫২ গম্বুজের মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে তিন কোটি ৮০ লাখ টাকা। গম্বুজগুলোর দুই ধারে ৬০ ফুট উচ্চতার দুটি মিনার এবং মাঝের দুটির উচ্চতা ৫০ ফুট। ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহরাবের (যেখানে ইমাম দাঁড়াবেন) উচ্চতা ৪৭ ফুট। পাশাপাশি ৫১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো মিনার নির্মাণ করা হয়েছে সিরামিকস দিয়ে। প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং। রাত হলে ঈদগাহ মিনার আলোকিত হয়ে ওঠে। ২০১৭ সাল থেকেই এখানে ঈদের নামাজ আদায় করছেন দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা। এবার

ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান

পবিত্র ঈদুল আজহার জামাতের জন্য প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী। ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের আয়তন ২১ দশমিক ৯৯ একর। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই এই মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে বড় কোনো মিম্বার ছিল না। ২০১৫ সালে মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করে জেলা পরিষদ। ২০১৭ সালে সম্পন্ন হয় নির্মাণকাজ। ৫২ গম্বুজের মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে তিন কোটি ৮০ লাখ টাকা। গম্বুজগুলোর দুই ধারে ৬০ ফুট উচ্চতার দুটি মিনার এবং মাঝের দুটির উচ্চতা ৫০ ফুট।

ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান

ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহরাবের (যেখানে ইমাম দাঁড়াবেন) উচ্চতা ৪৭ ফুট। পাশাপাশি ৫১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো মিনার নির্মাণ করা হয়েছে সিরামিকস দিয়ে। প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং। রাত হলে ঈদগাহ মিনার আলোকিত হয়ে ওঠে।

২০১৭ সাল থেকেই এখানে ঈদের নামাজ আদায় করছেন দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা। এবার ঈদুল আজহার জামাতের জন্য প্রায় সবরকম প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

আয়োজক কমিটি সূত্র জানায়, ঈদের জামাত উপলক্ষে মুসল্লিদের জন্য ৩০০টি ওজুখানা ও ৪০টি টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। পাঁচ জায়গায় খাবার পানি সরবরাহ করা হবে। ঈদগাহের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সমন্বয়ে ঈদগাহ মাঠে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ৫০টি সিসি ক্যামেরা। এছাড়া মাঠের মাঝখানে স্থাপন করা হয়েছে দুটি ওয়াচ টাওয়ার। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টেও স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ শহীদ ময়দান

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেল সোয়া ৫টায় দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা মাঠ পরিদর্শন করেন। পরে মাঠের প্রস্তুতি সবশেষ পরিস্থিতি সাংবাদিকদের অবহিত করেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মুসল্লিরা যাতে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার নামাজ সুষ্ঠু ও নিরাপদে আদায় করতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, শহরের প্রতিটি প্রবেশ মুখে এবং মোড়গুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যাতে করে মানুষ নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে আসতে ও ফিরে যেতে পারেন।

এমদাদুল হক মিলন/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow