ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি প্রায় ২ কোটি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি/২৬) বিকেলে বাজারের একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনসহ আশপাশের অন্তত ১০টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ৫টি দোকান ও সেগুলোর মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাকি দোকানগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ, গৌরীপুর ও নান্দাইল ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরাও কাজ করেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় ময়মনসিংহ– কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি কসমেটিকসের দোকান, তিনটি লেপ-তোশকের দোকান ও একটি খাবার হোটেল, যেগুলোর মালপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া সুন্দরবন কুর

ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি প্রায় ২ কোটি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি/২৬) বিকেলে বাজারের একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনসহ আশপাশের অন্তত ১০টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ৫টি দোকান ও সেগুলোর মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাকি দোকানগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ, গৌরীপুর ও নান্দাইল ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরাও কাজ করেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় ময়মনসিংহ– কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি কসমেটিকসের দোকান, তিনটি লেপ-তোশকের দোকান ও একটি খাবার হোটেল, যেগুলোর মালপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

এ ছাড়া সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস, একটি ফার্মেসি, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দোকানসহ আরও অন্তত পাঁচটি দোকানের মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কসমেটিকস দোকানের মালিক মোশাররফ হোসেন ফারুক বলেন, “আমার দোকানে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”আরেক ব্যবসায়ী লুৎফুল কবীর লিন্টু মিয়া বলেন,“আমার প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”লেপ-তোশক ও কাপড়ের দোকানের মালিক মো. শামসু মিয়া বলেন,“আমার অন্তত ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।”ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি একে এম হারুন অর রশিদ বলেন,“এই অগ্নিকাণ্ডে পৌর বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী সর্বস্বান্ত হয়েছেন। আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানো হবে।”তিনি উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি গণমাধ্যমকে জানান,“প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।”উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান বলেন,“অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আবেদন করলে সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow