‎ঈশ্বরগঞ্জে জব্দকৃত মোটরসাইকেল তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের ঘটনায় জব্দ করা একটি মোটরসাইকেল তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করার পরদিন মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ‎ শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তর ও লাইন সংযোগের কাজ করছিল একটি চক্র। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিক ও স্থানীয়রা উপস্থিত হলে সংশ্লিষ্ট চক্রের সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় চক্রের সদস্যরা একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফেলে রেখে যায়। ‎খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই মুকুল সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলসহ সরঞ্জামগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে জব্দের একদিন পর রবিবার (৯ আগস্ট) মোটরসাইকেলটি থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এমন অভিযোগ

‎ঈশ্বরগঞ্জে জব্দকৃত মোটরসাইকেল তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের ঘটনায় জব্দ করা একটি মোটরসাইকেল তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করার পরদিন মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ‎

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তর ও লাইন সংযোগের কাজ করছিল একটি চক্র। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিক ও স্থানীয়রা উপস্থিত হলে সংশ্লিষ্ট চক্রের সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় চক্রের সদস্যরা একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফেলে রেখে যায়। ‎খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই মুকুল সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলসহ সরঞ্জামগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

তবে জব্দের একদিন পর রবিবার (৯ আগস্ট) মোটরসাইকেলটি থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এমন অভিযোগ ওঠায় এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, অবৈধভাবে বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের মতো স্পর্শকাতর একটি ঘটনায় জব্দ করা যানবাহন তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই কীভাবে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলো। ‎

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই মুকুল সরকার বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। পরবর্তীতে মোটরসাইকেলের মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় এসে ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে গাড়িটি নিয়ে যান। ‎

একই বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আজম বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ না থাকায় সংশ্লিষ্ট এজিএমের সঙ্গে যোগাযোগ করে জব্দকৃত মোটরসাইকেলটি মালিককে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম কাউসার মোহাম্মদ উমর ফারুক জানান, বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য: পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অনুমোদন ছাড়াই রাতের আঁধারে খুঁটি স্থানান্তরের চেষ্টা, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা এবং সংশ্লিষ্টদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতিতে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ও সরঞ্জামগুলো তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা জরুরি ছিল কি না তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow